টেস্ট ড্রাইভ থেকে বৃক্ষরোপণ, বিওয়াইডি বাংলাদেশের ‘গ্রিন ড্রাইভ’ ক্যাম্পেইন
ক.বি.ডেস্ক: পরিবেশ সুরক্ষা ও টেকসই উন্নয়নে নিজেদের প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে ঢাকার সানভ্যালি গ্র্যান্ড সার্কেলে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পরিচালনা করেছে বিওয়াইডি বাংলাদেশ। এ উদ্যোগের আওতায় ৫০০টির বেশি গাছ রোপণ করা হয়েছে। ‘ড্রাইভ টুডে, গ্রো টুমরো’ স্লোগানকে সামনে রেখে পরিচালিত ক্যাম্পেইনটির মূল লক্ষ্য ছিল প্রতিটি টেস্ট ড্রাইভের বিপরীতে একটি করে গাছ রোপণ করা। পরিবেশ সুরক্ষায় জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং কমিউনিটির প্রতি দায়বদ্ধতা থেকেই এ উদ্যোগ নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
শনিবার (১০ অক্টোবর) সানভ্যালি কমিউনিটির সহযোগিতায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন বিওয়াইডি এশিয়া-প্যাসিফিক অটো সেলস ডিভিশনের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার কেৎসু ঝ্যাং, সিজি রানার বিডি লিমিটেডের চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান খান এবং ম্যানেজিং ডিরেক্টর আমিদ সাকিফ খান। এর মধ্য দিয়ে সেপ্টেম্বরে মাসব্যাপী চলা প্রতিষ্ঠানটির ‘বিওয়াইডি গ্রিন ড্রাইভ’ ক্যাম্পেইনের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।
বিওয়াইডির করপোরেট মিশন এবং বৈশ্বিক ভিশন ‘কুল দ্য আর্থ বাই ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস’-এর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এ কর্মসূচি পরিচালনা করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, ভবিষ্যতেও ‘গ্রিন ড্রাইভ’ উদ্যোগ অব্যাহত রাখার পরিকল্পনা রয়েছে তাদের।
কেৎসু ঝ্যাং বলেন, “বিওয়াইডি বাংলাদেশকে গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করে। এখানে অনেক সম্ভাবনা রয়েছে। তবে, বাংলাদেশে আমাদের কার্যক্রম শুধু গাড়ি বিক্রিতে সীমাবদ্ধ নয়। আমরা এ দেশে নিউ এনার্জি ভেহিকেল ইকোসিস্টেমের বিকাশে অংশ নিতে চাই। একইসঙ্গে, যেসব কমিউনিটিতে আমরা কাজ করি, সেখানেও অবদান রাখতে চাই। এ কারণেই ‘গ্রিন ড্রাইভ’-এর মতো উদ্যোগ আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ।”
আমিদ সাকিফ খান বলেন, “বিওয়াইডির কথা উঠলে মানুষ নিউ এনার্জি ভেহিকেল, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের কথা ভাবেন। তবে, আমাদের কাছে টেকসই উন্নয়নের বিষয়টি শুধু বাহনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। বিওয়াইডি ‘গ্রিন ড্রাইভের’ ভাবনাটিও সেখান থেকেই এসেছে। এ উদ্যোগের আসল প্রভাব শুধু কতগুলো গাছ লাগানো হলো, তা নয়। বরং মানুষের সামনে তুলে ধরা যে, ছোট ছোট দায়িত্বশীল পদক্ষেপ একসঙ্গে বড় পরিবর্তন আনতে পারে।”
‘গ্রিন ড্রাইভ’ ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে বিওয়াইডি বাংলাদেশ পরিবেশ সুরক্ষায় ব্যক্তিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগের গুরুত্ব তুলে ধরেছে। টেস্ট ড্রাইভের মতো একটি কার্যক্রমকে বৃক্ষরোপণের সঙ্গে যুক্ত করার মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠানটি টেকসই পরিবেশ গড়ে তোলার পাশাপাশি স্থানীয় কমিউনিটির সঙ্গে সম্পৃক্ততা বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে।





