সিআইডিইউ হবে হুয়াওয়ে আইসিটি একাডেমি, মিলবে বিনামূল্যে এআই প্রশিক্ষণ
ক.বি.ডেস্ক: হুয়াওয়ে ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউট (সিআইডিইউ) একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে। এই চুক্তির আওতায় সিআইডিইউ তার নিয়মিত কার্যক্রমের পাশাপাশি হুয়াওয়ে আইসিটি একাডেমি হিসেবেও কাজ করবে। ফলে প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার্থীরা বিনামূল্যে অনলাইনভিত্তিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রশিক্ষণে অংশ নেয়ার সুযোগ পাবেন।
সোমবার (১৭ আগস্ট) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত ‘সিনো-বাংলা ডে ২০২৬’ উপলক্ষে আয়োজিত চাইনিজ এন্টারপ্রাইজ জব ফেয়ারে সমঝোতা স্মারকটি স্বাক্ষরিত হয়। হুয়াওয়ে সাউথ এশিয়ার পাবলিক অ্যাফেয়ার্সের ম্যানেজিং ডিরেক্টর মা বেন এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউটের ডিরেক্টর ড. ইয়াং হুই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
এই উদ্যোগের আওতায় সিআইডিইউ-এর শিক্ষার্থীরা অনলাইনভিত্তিক এআই প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে বিনামূল্যে অংশগ্রহণ করতে পারবেন। প্রশিক্ষণে গণিতের মৌলিক বিষয়, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রাথমিক ধারণা, ইন্টেলিজেন্ট কালচারাল কম্পিউটিং, এআইয়ের নীতি ও ব্যবহার, এআই প্রযুক্তি ও এর প্রয়োগ সহ হুয়াওয়ের এআই প্রসেসর ডেভেলপমেন্টের মতো বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে শেখার সুযোগ থাকবে।
মা বেন বলেন, “বাংলাদেশের আইসিটি খাতে শিল্প ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে সহযোগিতা আরও জোরদার করার পাশাপাশি তরুণদের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি করতে হুয়াওয়ে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সিআইডিইউ-এর সঙ্গে যৌথভাবে আমরা শিক্ষার্থীদের এআই দক্ষতা বাড়াতে চাই, যাতে তারা ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত হয়ে উঠতে পারে এবং দেশের উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করতে ভূমিকা রাখতে পারে।”
ড. ইয়াং হুই বলেন, “সুপরিকল্পিত এআই কোর্স এবং আন্তর্জাতিক সার্টিফিকেশন অর্জনের সুযোগ আমাদের একাডেমিক কার্যক্রমকে আরও সমৃদ্ধ করবে। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা আধুনিক প্রযুক্তি ও আন্তর্জাতিক মানদণ্ড সম্পর্কে আরও গভীর ধারণা লাভ করবে। এই যৌথ উদ্যোগ সিআইডিইউ-এর শিক্ষার্থীদের প্রশিক্ষণকে আরও উন্নত করবে। একই সঙ্গে আরও বেশি শিক্ষার্থী ভবিষ্যতে এআইকে একটি সম্ভাবনাময় ক্যারিয়ার ক্ষেত্র হিসেবে বিবেচনা করতে উৎসাহিত হবে।”
বিশ্বব্যাপী হুয়াওয়ে আইসিটি একাডেমি শিল্পখাত ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করছে। বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে এ ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা ও বাস্তব কর্মক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় দক্ষতার মধ্যে ব্যবধান কমাতে ভূমিকা রাখছে প্রতিষ্ঠানটি। এর ফলে শিক্ষার্থীরা প্রযুক্তিনির্ভর ও ডিজিটাল অর্থনীতির জন্য নিজেদের আরও দক্ষ করে গড়ে তোলার সুযোগ পাচ্ছেন।





