উদ্যোগ

ড্যাফোডিল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ‘প্রথম গ্র্যাজুয়েশন সেরিমনি’

ক.বি.ডেস্ক: ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের জন্য ড্যাফোডিল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট আয়োজন করল “প্রথম গ্র্যাজুয়েশন সেরিমনি” অনুষ্ঠান। প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত গ্রাজুয়েশন সেরিমনিতে ৩৫০ জন ডিপ্লোমা ডিগ্রীধারী শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। এদের মধ্যে মেধা তালিকায় সেরা ১০ জনকে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে গোল্ড মেডেল এবং ৩ জনকে চেয়ারম্যান অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়। সেরা শিক্ষার্থীর পুরস্কার পাওয়ার গৌরব অর্জন করেন সিএসই বিভাগের জেরিন তাসনিম জেবা।

গতকাল বুধবার (২৬ জুলাই) রাজধানীর ধানমন্ডির সোবহানবাগে ড্যাফোডিল প্লাজায় অনুষ্ঠিত “প্রথম গ্র্যাজুয়েশন সেরিমনি” অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার। বক্তা ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা।

বিশেষ অতিথি ছিলেন জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সদস্য মো. জোহর আলী, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রকল্প পরিচালক (অ্যাসেট প্রকল্প) আবু মমতাজ সাদুদ্দিন আহমেদ, আইডিইবি’র সভাপতি এ কে এম এ হামিদ, বাংলাদেশে ইউএনডিপি’র অতিরিক্ত আবাসিক প্রতিনিধি প্রসেনজিৎ চাকমা। বক্তব্য রাখেন ড্যাফোডিল পরিবারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. মোহাম্মদ নুরুজ্জামান, বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের সচিব মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মাহামুদ জামান ও ড্যাফোডিল পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটের অধ্যক্ষ কে এম হাসান রিপন প্রমুখ।

মন্ত্রী মোস্তফা জব্বার বলেন, এখন আপনাদের অর্জিত শিক্ষা দেশ ও দশের কল্যাণে কাজে লাগানোর পালা। আপনাদের অর্জিত শিক্ষা সমাজ ও দেশের কোন কাজে না আসলে সেটা হবে একটা অনেক বড় অন্যায় এবং আপনাদের বাবা মা, শিক্ষক ও প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত প্রচেষ্টার একটা বিরাট অপচয়। সুতরাং, আজ আপনারা প্রতিজ্ঞা করুন, আপনারা যা পেয়েছেন, তার বহুগুণ দেশকে ফিরিয়ে দেবার চেষ্টা করবেন। সেই সাথে ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনেও অবদান রাখবেন। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতা লাভের পরপরই কারিগরি শিক্ষার উপর সর্বোচ্চ জোড় দিয়ে ছিলেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জিটিাল বালাদেশ বাস্তবায়নের মাধ্যমে আগামী দিনে স্মার্ট বাংলাদেশ বিনিমার্ণে কাজ করে যাচ্ছেন।

মাশরাফি বিন মূর্তজা বলেন, আপনার পরিকল্পনা অনুযায়ী জীবন চলে না। আপনারা প্রত্যেকেই উচ্চ এবং নিম্ন, কঠিন এবং সহজ, এবং, দুঃখজনকভাবে, মাঝে মাঝে অনেক চ্যালেঞ্জর মুখোমুখী হতে পারেন এবং জীবন যথেষ্ট মসৃণ নৌযান নাও হতে পারে। আপনি কীভাবে উভয় পরিস্থিতি পরিচালনা করবেন তা আপনার সাফল্যের প্রকৃত স্তর নির্ধারণ করবে। আপনি যদি আপনার জীবদ্দশায় কোনো শীর্ষ মাল্টিন্যাশনাল বা স্মার্ট কর্পোরেটের সিইও পদে না উঠতে পারেন, তাতেও সমস্যা নেই। গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল আপনি ইতিমধ্যে আরও আশাবাদী ভবিষ্যত তৈরির প্রক্রিয়া শুরু করেছেন কি না। পরিবর্তন এবং বাধাগুলির সাথে সামঞ্জস্য করার আপনার ক্ষমতা প্রতিটি পাঠ, ল্যাব সেশন, ক্লাস পরীক্ষা, প্রকল্পের কাজ বা গবেষণা, মধ্য-সেমিস্টার এবং আপনার সম্পূর্ণ করা প্রশংসাপত্রের চূড়ান্ত পরীক্ষার মাধ্যমে চাষ করা হয়েছে কি না।

কে এম হাসান রিপন বলেন, ড্যাফোডিল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট শিক্ষা ব্যবস্থায় উদ্ভাবনকে অনুঘটক মনে করেছে এবং এর একাডেমিক সিস্টেমের সম্পূর্ণ ডিজিটাল রূপান্তর নিশ্চিত করেছে। আমরা আধুনিক ফ্ল্যাগশিপ ইন্সটিটিউট হিসেবে বিকাশের জন্য সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছি, অ্যাক্সেস এবং ইক্যুইটির প্রতি নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করছে এ প্রতিষ্ঠান এবং উল্লেখযোগ্যভাবে শিক্ষাদান, শেখার, গবেষণার মান এবং জাতীয় ও আঞ্চলিক আর্থ-সামাজিক চাহিদা মেটাতে কাজ করে যাচ্ছে। একটি জেড জেনারেশনের জন্য প্রয়োজনীয় সমস্ত সহায়তামূলক পরিষেবা এবং সুবিধাগুলিতে অ্যাক্সেস নিশ্চিত করে আমরা একটি ব্যাপক শিক্ষামূলক ইকো সিস্টেম তৈরি করার চেষ্টা করছি।

Related Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *