শিশু-কিশোরদের প্রযুক্তি শিক্ষায় যুক্ত হলো রাইজআপ ল্যাবস ও স্পেস ইনোভেশন ক্যাম্প
ক.বি.ডেস্ক: প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষার প্রসার ও তরুণদের উদ্ভাবনী দক্ষতা বিকাশে যৌথভাবে কাজ করবে রাইজআপ ল্যাবস ও স্পেস ইনোভেশন ক্যাম্প। এ লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠান দুটির মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে। চুক্তির আওতায় রাইজআপ ল্যাবসকে স্পেস ইনোভেশন ক্যাম্পের প্রযুক্তি অংশীদার হিসেবে যুক্ত করা হয়েছে।
এই অংশীদারিত্বের মাধ্যমে বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, রোবটিকস, মহাকাশবিজ্ঞান ও উদ্ভাবনে আগ্রহী শিশু-কিশোরদের জন্য আরও বেশি হাতে-কলমে শেখার সুযোগ তৈরির উদ্যোগ নেয়া হবে। পাশাপাশি বিভিন্ন কর্মসূচি, অনুষ্ঠান ও শিক্ষামূলক কার্যক্রমে প্রয়োজন অনুযায়ী প্রযুক্তিগত সহায়তা দেবে রাইজআপ ল্যাবস।
স্পেস ইনোভেশন ক্যাম্পের বিভিন্ন কার্যক্রমে বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল, গণিত ও কম্পিউটিং এসব বিষয়ে শিক্ষার্থীদের বাস্তবভিত্তিক জ্ঞান ও দক্ষতা তৈরিতে গুরুত্ব দেয়া হয়। শুধু পাঠ্যবইয়ের তাত্ত্বিক জ্ঞানের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে শিক্ষার্থীরা যাতে বাস্তব অভিজ্ঞতার মাধ্যমে সমস্যা সমাধান, সৃজনশীল চিন্তা ও উদ্ভাবনী দক্ষতা অর্জন করতে পারে, সে লক্ষ্যেই এসব কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
সংগঠনটির উদ্যোগগুলোর মধ্যে রয়েছে স্পেস ক্যাম্প, রোবটিকস কার্যক্রম, বিভিন্ন কর্মশালা ও শিক্ষামূলক প্রতিযোগিতা। এসব আয়োজনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের বৈজ্ঞানিক ধারণাকে বাস্তব কাজের সঙ্গে যুক্ত করার পাশাপাশি প্রযুক্তি নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও নতুন কিছু তৈরিতে উৎসাহিত করা হয়।
সমঝোতা স্মারকের আওতায় রাইজআপ ল্যাবস তাদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা ও শিল্পখাতের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে স্পেস ইনোভেশন ক্যাম্পের বিভিন্ন কর্মসূচিতে সহযোগিতা করবে। এর ফলে শিক্ষার্থীরা নতুন প্রযুক্তি সম্পর্কে জানার পাশাপাশি প্রযুক্তিকে ব্যবহার করে বাস্তব সমস্যা সমাধান, বিভিন্ন প্রকল্পে কাজ এবং নিজেদের উদ্ভাবনী ধারণা বাস্তবায়নের সুযোগ পাবে।
তরুণদের প্রযুক্তি দক্ষতা উন্নয়নেও দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছে রাইজআপ ল্যাবস। প্রতিষ্ঠানটি গেম ও অ্যাপ উন্নয়ন, অ্যানিমেশন সহ বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ, কর্মশালা ও সক্ষমতা বৃদ্ধির কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। সাম্প্রতিক সময়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও প্রযুক্তিভিত্তিক উদ্ভাবনের ক্ষেত্রেও তরুণদের সম্পৃক্ত করার উদ্যোগ নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, দুই প্রতিষ্ঠানের এই অংশীদারিত্ব প্রযুক্তি, শিক্ষা ও সৃজনশীলতার সমন্বয়ে শিশু-কিশোরদের ভবিষ্যতের জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জনের সুযোগ আরও বাড়াবে। একই সঙ্গে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন কার্যক্রমে তরুণদের অংশগ্রহণ বাড়িয়ে তাদের ভবিষ্যতের উদ্ভাবক ও সমস্যা সমাধানকারী হিসেবে গড়ে তুলতেও এই উদ্যোগ ভূমিকা রাখতে পারে।





