বাংলাদেশের ডিজিটাল রূপান্তরে দীর্ঘমেয়াদি বেসরকারি বিনিয়োগ জরুরি: মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম
ক.বি.ডেস্ক: বাংলাদেশের ডিজিটাল রূপান্তরের পরবর্তী ধাপে দীর্ঘমেয়াদি বেসরকারি বিনিয়োগ আকর্ষণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীরা মূলধনের পাশাপাশি প্রযুক্তি, উদ্ভাবন, বৈশ্বিক দক্ষতা ও আন্তর্জাতিক সর্বোত্তম চর্চা নিয়ে আসে। এসব সক্ষমতার সঙ্গে বাংলাদেশের তরুণ জনগোষ্ঠী, উদ্যোক্তা-মনোভাব ও ক্রমবর্ধমান ডিজিটাল দক্ষতার সমন্বয় নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করতে পারে। বিনিয়োগকারীদের আস্থা নিশ্চিত করতে স্বচ্ছ, স্থিতিশীল ও বিনিয়োগবান্ধব নীতিপরিবেশ প্রয়োজন।
মঙ্গলবার (২৮ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর একটি স্থানীয় শেরাটন হোটেলে রবি আজিয়াটা’র বাংলাদেশে কার্যক্রমের ৩০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)-এর চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) মো. এমদাদ উল বারী, আজিয়াটা গ্রুপ বারহাদের গ্রুপ চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার নিক রিজাল কামিল, রবি আজিয়াটার ব্যবস্থাপনা পরিচালক জিয়াদ শাতারা সহ আজিয়াটা গ্রুপের শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তাবৃন্দ।
মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেন, “গত তিন দশকে বাংলাদেশের টেলিযোগাযোগ খাত এক অভূতপূর্ব রূপান্তরের মধ্য দিয়ে গেছে, যা মানুষের যোগাযোগ, কর্মসংস্থান, শিক্ষা, নাগরিক সেবা ও ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রে যুগান্তকারী পরিবর্তন এনেছে। সরকার, শিল্পখাত ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মধ্যে ধারাবাহিক সংলাপের মাধ্যমেই কেবল বিনিয়োগ, উদ্ভাবন ও টেকসই প্রবৃদ্ধির অনুকূল পরিবেশ নিশ্চিত করা সম্ভব। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ক্লাউড প্রযুক্তি, ডিজিটাল সেবা ও আধুনিক ডেটা অবকাঠামো দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও কর্মসংস্থানের অপার দিগন্ত উন্মোচন করছে। গত ৩০ বছরের অর্জনের শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে আগামী ৩০ বছরের প্রযুক্তিগত সম্ভাবনা কাজে লাগাতে সবাইকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করতে হবে।”
আজিয়াটা গ্রুপ বারহাদের গ্রুপ সিইও নিক রিজাল কামিল বলেন, “রবি’র ৩০ বছরের পথচলা মূলত বাংলাদেশের ডিজিটাল রূপান্তরেরই প্রতিচ্ছবি। ১৯৯৭ সালে অ্যাক্টেল হিসেবে যাত্রা করে রবি আজ দেশের ডিজিটাল কানেক্টিভিটি ও উদ্ভাবনী সেবার অন্যতম বিশ্বস্ত অংশীদার। বাংলাদেশের ডিজিটাল অগ্রযাত্রায় আজিয়াটা দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ ও কৌশলগত অংশীদারিত্ব অব্যাহত রাখতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।”





