বহুমুখী চ্যালেঞ্জের মুখে দেশের অনলাইন ব্যবসা
সোহেল মৃধা: বৈশ্বিক জ্বালানি তেলের সংকট ও দেশে তেলের মূল্য বৃদ্ধি এবং লোডশেডিংয়ের কারণে দেশের অনলাইন ব্যবসা বা ই-কমার্স খাত বড় ধরনের সংকটের মুখে পড়েছে। দেশজুড়ে ছড়িয়ে থাকা প্রায় ৫ লক্ষাধিক ছোট-বড় উদ্যোক্তার ভবিষ্যৎ নিয়ে এখন গভীর উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকটের যে হাওয়া বইছে, তার সরাসরি আঘাত এসে লেগেছে আমাদের দেশের অনলাইন ব্যবসায়ীদের ওপর।
বিশেষ করে যারা ঘরে বসে ছোট ছোট পণ্য তৈরি করে অনলাইনে বিক্রি করেন, তাদের অবস্থা এখন সবচেয়ে শোচনীয়। জ্বালানি তেলের মূল্য বাড়লে শুধু যাতায়াত খরচই বাড়ে না, এর সঙ্গে পণ্য উৎপাদন থেকে শুরু করে গ্রাহকের হাতে পৌঁছানো পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে খরচ বেড়ে যায়। ফলে এই উদীয়মান খাতটি এখন এক কঠিন সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।
পণ্য সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর প্রভাব: ব্যয়ের পাহাড়
অনলাইন ব্যবসার মেরুদণ্ড হলো পণ্য সরবরাহ ব্যবস্থা বা লজিস্টিকস। তেলের মূল্য বাড়লে এর সরাসরি প্রভাব পড়ে পরিবহন খরচে-
পরিবহন খরচ বৃদ্ধি: পণ্য সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের পণ্য পৌঁছে দেয়ার খরচ বা মাশুল ১৫ শতাংশ থেকে ২৫ শতাংশ পর্যন্ত বাড়াতে বাধ্য হচ্ছে। ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান এবং মোটরসাইকেলের জ্বালানি খরচ বেড়ে যাওয়ায় এই চাপ সরাসরি উদ্যোক্তাদের ওপর পড়ছে।
পণ্য পৌঁছানোর সময়সীমা: খরচ বাঁচাতে অনেক সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ‘একত্রে সরবরাহ’ বা নির্দিষ্ট এলাকাভিত্তিক পণ্য জমানোর নীতি গ্রহণ করছে, যার ফলে গ্রাহকের কাছে পণ্য পৌঁছাতে দেরি হচ্ছে।
পরিচালন ব্যয়: পণ্য গুদামে রাখা এবং প্যাকেট করার কাজেও বিদ্যুৎ ও জ্বালানির ব্যবহারের কারণে পরোক্ষ খরচ বাড়ছে।
পণ্য ফেরত আসার সংকট: জ্বালানি খরচ যখন অনেক বেশি, তখন একটি পণ্য গ্রাহকের কাছ থেকে ফেরত আসা মানে উদ্যোক্তার জন্য দ্বিগুণ লোকসান। পণ্য ফেরত আসার হার কমাতে পণ্যের সঠিক বিবরণ ও ভিডিওর মাধ্যমে স্বচ্ছতা বাড়ানো এখন সময়ের দাবি, কারণ অতিরিক্ত রিটার্ন বা ফেরত আসা পণ্য সরবরাহ ব্যয়কে কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিচ্ছে।
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটের দ্বিমুখী আঘাত: ডিজিটাল সংকট
জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি কেবল সড়কপথেই সীমাবদ্ধ নেই, এটি দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যবস্থাকে সংকটে ফেলেছে। তেলচালিত বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো প্রয়োজনীয় জ্বালানির অভাবে উৎপাদন কমিয়ে দেয়ায় দেশজুড়ে যে বিদ্যুৎ বিভ্রাট বা লোডশেডিং হচ্ছে, তা অনলাইন ব্যবসা খাতের জন্য ‘মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা’ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
উৎপাদন ও প্রক্রিয়াজাতকরণ ব্যাহত: অনেক ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা নিজস্ব কারখানায় পণ্য তৈরি করেন। দীর্ঘ সময়ের বিদ্যুৎ বিভ্রাটের ফলে তাদের উৎপাদন ক্ষমতা প্রায় ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ কমে গিয়েছে। বিশেষ করে যারা ঘরে তৈরি খাবার বা হস্তশিল্প নিয়ে কাজ করেন, তারা সময়মতো অর্ডার সরবরাহ করতে পারছেন না।
হিমায়িত ব্যবস্থা ও পচনশীল পণ্য: অনলাইনে যারা মাছ, মাংস, দুগ্ধজাত বা ফ্রোজেন খাবার বিক্রি করেন, তারা চরম বিপাকে পড়েছেন। বিদ্যুৎ না থাকায় ফ্রিজ বা শীতলীকরণ ব্যবস্থা সচল রাখতে জেনারেটর ব্যবহার করতে হচ্ছে, যা বাড়তি তেলের মূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিচ্ছে।
ইন্টারনেট সংযোগ বাধাগ্রস্ত: বিদ্যুৎ বিভ্রাটের সময় অনেক এলাকায় মোবাইল টাওয়ারের বিদ্যুৎ ব্যাকআপ ফুরিয়ে যায়, ফলে ইন্টারনেটের গতি ধীর হয়ে পড়ে। এতে উদ্যোক্তারা সঠিক সময়ে ক্রেতা সেবা দিতে পারছেন না এবং গ্রাহকরাও অনলাইনে কেনাকাটায় আগ্রহ হারাচ্ছেন।
গ্রাহক আচরণ ও ক্রয়ক্ষমতা: বেশি মূল্যে কি পণ্য কিনবেন?
অর্থনৈতিক নিয়ম অনুযায়ী, যখন নিত্যপণ্যের মূল্য বাড়ে, তখন মানুষের ‘অতিরিক্ত ব্যয় করার ক্ষমতা’ কমে যায়।
ক্রয়ক্ষমতা হ্রাস: তেলের মূল্য বাড়লে জিনিসের মূল্য বা মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি পায়। ফলে সাধারণ গ্রাহক মৌলিক চাহিদা (খাদ্য, ওষুধ) মেটানোর পর অনলাইন থেকে শৌখিন বা অপ্রয়োজনীয় পণ্য কেনা কমিয়ে দিচ্ছেন।
অতিরিক্ত মূল্যের চাপ: উদ্যোক্তারা বাড়তি সরবরাহ খরচ পণ্যের মূল্যের সঙ্গে যুক্ত করছেন। ফলে অনেক ক্ষেত্রে গ্রাহক আগের চেয়ে ১০ থেকে ২০ শতাংশ বেশি মূল্যে পণ্য কিনতে বাধ্য হচ্ছেন। তবে মূল্যেে ব্যাপারে সচেতন গ্রাহকরা এর ফলে অনলাইন কেনাকাটা থেকে মুখ ফিরিয়ে নিতে পারেন।
উদ্যোক্তাদের ক্ষয়ক্ষতি ও পরিসংখ্যানগত তথ্য
বাংলাদেশে বর্তমানে প্রায় ৩০০০ এর বেশি ই-ক্যাব নিবন্ধিত সদস্য এবং ৫ লক্ষাধিক এর বেশি ফেসবুক ভিত্তিক উদ্যোক্তা রয়েছেন।
ডলার সংকট ও বিজ্ঞাপনের খরচ: আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের মূল্য বাড়ার পাশাপাশি ডলারের বিনিময় হার অস্বাভাবিক বেড়ে যাওয়ায় পণ্য আমদানির ব্যয় অনেক বেড়েছে। একই সঙ্গে ফেসবুক বা গুগল ভিত্তিক বিজ্ঞাপনের খরচ এবং ডিজিটাল সরঞ্জাম ব্যবহারের ব্যয় বৃদ্ধি পাওয়ায় উদ্যোক্তাদের লাভ অনেক কমে গিয়েছে।
প্রান্তিক উদ্যোক্তাদের ঝুঁকি: ছোট ও মাঝারি উদ্যোক্তারা, যারা স্বল্প লাভে ব্যবসা করেন, তাদের প্রকৃত মুনাফা তলানিতে ঠেকেছে। সরবরাহ খরচ বেড়ে যাওয়ায় তাদের ‘নগদ অর্থ প্রবাহ’ সংকটে পড়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।
অনিবন্ধিত উদ্যোক্তাদের সংকট: বড় অনলাইন প্রতিষ্ঠানগুলো প্রযুক্তি ব্যবহার করে খরচ সমন্বয় করতে পারলেও, অনিবন্ধিত বা ব্যক্তিগত পর্যায়ের নারী উদ্যোক্তারা প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হিমশিম খাচ্ছেন।
টিকে থাকার লড়াই: সংকট মোকাবিলায় কৌশলগত পরিবর্তন
বর্তমান পরিস্থিতিতে টিকে থাকতে হলে গতানুগতিক ব্যবসায়িক পদ্ধতিতে পরিবর্তন আনা জরুরি। গভীর বিশ্লেষণে দেখা যায়, কেবল খরচ কমানো নয় বরং দীর্ঘমেয়াদী টিকে থাকার জন্য নিচের কৌশলগুলো কার্যকর হতে পারে-
উন্নত সরবরাহ ব্যবস্থা ও ক্ষুদ্র গুদামজাতকরণ: একক ডেলিভারির পরিবর্তে নির্দিষ্ট দিনে নির্দিষ্ট এলাকায় পণ্য পৌঁছানোর পরিকল্পনা করা। পাশাপাশি শহরের বিভিন্ন প্রান্তে ছোট ছোট ‘পণ্য সংগ্রহের কেন্দ্র’ গড়ে তোলা যেতে পারে যাতে মূল শহর থেকে বারবার পণ্য পরিবহনের জ্বালানি খরচ বাঁচে।
স্থানীয় বাণিজ্য ও দেশীয় পণ্য: দূরপাল্লার পরিবহনের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে নিজস্ব এলাকার ৫ থেকে ১০ কিলোমিটারের মধ্যে পণ্য সরবরাহে অগ্রাধিকার দেয়া যেতে পারে, যা সাইকেল বা পায়ে হেঁটে করা সম্ভব। পাশাপাশি বিদেশ থেকে আনা পণ্যের বদলে দেশীয় কাঁচামাল ও শিল্পের ওপর গুরুত্ব দেওয়া বর্তমান পরিস্থিতিতে সাশ্রয়ী।
পণ্য বৈচিত্র্য: বর্তমানে প্রয়োজনীয় জিনিসের চাহিদা বেশি। তাই উদ্যোক্তারা পোশাক বা শৌখিন দ্রব্যের পাশাপাশি দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় প্রাকৃতিক খাবার বা গৃহস্থালি পণ্যে মনোযোগ দিতে পারেন।
ডিজিটাল বিপণন ও গ্রাহক সুবিধা: বিজ্ঞাপনী খরচ কমাতে সাধারণ প্রচার ও বিষয়বস্তু বা কন্টেন্ট ভিত্তিক বিপণনের ওপর জোর দেয়া। পাশাপাশি নিয়মিত গ্রাহকদের জন্য বিশেষ ছাড় বা বিশেষ সুবিধা চালু রাখা যাতে মূল্য বাড়লেও তারা আপনার সঙ্গে যুক্ত থাকে।
স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা ও সময়সূচি নির্ধারণ: বিদ্যুৎ না থাকলে স্বয়ংক্রিয় উত্তর ব্যবস্থা বা বিশেষ সফটওয়্যার ব্যবহার করে ক্রেতা সেবা সচল রাখা। দিনের যে সময় বিদ্যুৎ থাকে, সেই সময় উৎপাদন ও পণ্য ব্যবস্থাপনার কাজগুলো সেরে নেয়া এবং ইন্টারনেট ছাড়া সম্ভব এমন কাজগুলো লোডশেডিংয়ের সময়ের জন্য রাখা।
সবুজ জ্বালানির দিকে রূপান্তর: বিকল্প শক্তি হিসেবে সৌর বিদ্যুৎ বা বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী যন্ত্রপাতিতে বিনিয়োগের কথা ভাবা যেতে পারে। ডেলিভারি পার্টনার হিসেবে তাদের প্রাধান্য দেয়া যারা বৈদ্যুতিক যানবাহন বা বাইসাইকেল ব্যবহার শুরু করেছে।
প্রাতিষ্ঠানিক সীমাবদ্ধতা ও নির্বাচিত নেতৃত্বের আবশ্যকতা
অনলাইন ব্যবসা খাতের অভিভাবক সংগঠন ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশ (ই-ক্যাব) বর্তমানে এক বিশেষ পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে সংগঠনটি নির্বাচিত শক্তিশালী প্রতিনিধি ছাড়াই প্রশাসক দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে, ফলে সংকটের এই সময়ে নীতি নির্ধারণী পর্যায়ে জোরালো ভূমিকা পালন করা সম্ভব হচ্ছে না। অনির্বাচিত কমিটির কাজ কেবল প্রশাসককে দৈনন্দিন কাজে সাহায্য করার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকায় এই খাতের জরুরি সংস্কার বা জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সংকটের মতো বড় বিষয়ে সরকারের কাছ থেকে বিশেষ সুযোগ-সুবিধা আদায় করা কঠিন হয়ে পড়েছে।
এই পরিস্থিতিতে সেন্টার ফর ডিজিটাল কমার্স রিসার্চ অ্যান্ড অ্যাডভোকেসি (সিডিসিআরএ) মনে করছে, বর্তমান সংকট মোকাবিলায় ই-ক্যাব-এর মতো অভিভাবক সংগঠনের পক্ষ থেকে নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে সমন্বিত উদ্যোগের কোনও বিকল্প নেই। পরিস্থিতির উত্তরণে যা প্রয়োজন-
নেতৃত্বের সংকট দূর করা: দ্রুততম সময়ে ই-ক্যাব-এর সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে উদ্যোক্তাদের মধ্য থেকে নির্বাচিত প্রতিনিধি নিশ্চিত করা, যারা সরাসরি নীতি নির্ধারণী পর্যায়ে কাজ করতে পারবেন।
জরুরি সংকট ব্যবস্থাপনা সেল: বর্তমান প্রশাসনিক কাঠামোর অধীনেই দ্রুত একটি ‘জরুরি সংকট ব্যবস্থাপনা সেল’ গঠন করা প্রয়োজন, যা সরাসরি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করে অনলাইন উদ্যোক্তাদের জন্য বিশেষ অগ্রাধিকার নিশ্চিত করবে।
ডেলিভারি খরচে ভ্যাট ছাড়: পণ্য সরবরাহ সেবার ওপর ভ্যাট বা কর সাময়িকভাবে কমানোর জোরালো দাবি জানানো।
জ্বালানি ভর্তুকি বা বিকল্প: পণ্য সরবরাহে বৈদ্যতিক যানবাহনের ব্যবহার বাড়াতে শুল্কমুক্ত আমদানির সুযোগ দেয়া।
ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের ঋণ: উদ্যোক্তাদের জন্য সহজ শর্তে এবং স্বল্প সুদে চলতি মূলধন বা ঋণের ব্যবস্থা করা।
উদ্যোক্তাদের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টা ও মনোবল: সংগঠনের সীমাবদ্ধতার এই সময়ে ছোট ছোট উদ্যোক্তা গ্রুপগুলোর পক্ষ থেকে দাবিগুলো তুলে ধরা এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটে বিশেষ ইন্টারনেট প্যাকেজ নিশ্চিত করতে টেলিকম ও বিদ্যুৎ বিভাগের সঙ্গে সমন্বয় করা। উদ্যোক্তাদের মানসিক মনোবল ধরে রাখতে নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানো।
জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি ও বিদ্যুৎ বিপর্যয় নিঃসন্দেহে অনলাইন ব্যবসা বা ই-কমার্স খাতের জন্য একটি বড় বাধা। এটি মূলত যোগ্যতমের টিকে থাকার একটি পরীক্ষা। যারা কেবল পণ্যের ওপর নির্ভর না করে তাদের কাজের প্রক্রিয়া আধুনিক, জ্বালানি সাশ্রয়ী এবং সাশ্রয়ী সরবরাহ ব্যবস্থায় সাজাতে পারবে, তারাই এই সংকটের শেষে বিজয়ী হিসেবে টিকে থাকবে।
নীতিনির্ধারকদের মনে রাখতে হবে, ৫ লাখ উদ্যোক্তার এই খাতটি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া মানে ৫ লাখ পরিবারের স্বপ্ন থমকে যাওয়া। ই-ক্যাব-এর নেতৃত্বে এবং সিডিসিআরএ-এর সুপারিশ অনুযায়ী সরকারি সহযোগিতা ও সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করা হলে এই সংকট কাটিয়ে ওঠা সম্ভব। উদ্যোক্তাদের এখন ধৈর্য ধরে টিকে থাকার লড়াই করতে হবে, কারণ ডিজিটাল অর্থনীতির ভবিষ্যৎ দীর্ঘমেয়াদে অত্যন্ত উজ্জ্বল।
সোহেল মৃধা- ই-কমার্স উদ্যোক্তা এবং বিশ্লেষক





