তথ্যে স্বচ্ছতার ঘাটতি নিরাপত্তার সিদ্ধান্ত গ্রহণে সমস্যা তৈরি করছে: সফোস
ক.বি.ডেস্ক: সাইবার নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান সফোস সম্প্রতি একটি বৈশ্বিক গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে, যেখানে সাইবার নিরাপত্তা সেবা প্রদানকারীদের প্রতিষ্ঠানের ওপর নির্ভরতার বিষয়টি যাচাই করা হয়। এই গবেষণাটি ১৭টি দেশের ৫,০০০ প্রতিষ্ঠানের মতামতের ভিত্তিতে করা হয়েছে।
সাইবার সিকিউরিটি ট্রাস্ট রিয়েলিটি ২০২৬ শীর্ষক এই প্রতিবেদনটি সাইবার নিরাপত্তায় নির্ভরতার ভূমিকা, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা এবং শীর্ষ পর্যায়ের সিদ্ধান্ত গ্রহণে এর প্রভাব তুলে ধরেছে। এতে দেখা গেছে, প্রধান তথ্য নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো, সাইবার নিরাপত্তা সরবরাহকারীদের ওপর আস্থা রাখা কঠিন হয়ে পড়ছে।
বর্তমানে সাইবার হুমকি বাড়ছে, নিয়ন্ত্রক সংস্থার নজরদারি কঠোর হচ্ছে এবং একইসঙ্গে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই অনেক ব্যবহার হচ্ছে। তাই সাইবার নিরাপত্তার ওপর নির্ভর করাও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে ওঠছে। গবেষণায় দেখা গেছে, প্রায় সব প্রতিষ্ঠানই তাদের সাইবার নিরাপত্তা সরবরাহকারীদের ওপর সম্পূর্ণভাবে আস্থা রাখতে পারছে না।
গবেষণায় দেখা যায়, ৯৫ শতাংশ প্রতিষ্ঠান অর্থাৎ প্রায় সব প্রতিষ্ঠানই বলেছে তারা তাদের সাইবার নিরাপত্তা সরবরাহকারীদের সম্পূর্ণভাবে বিশ্বাস করে না। ৭৯ শতাংশ প্রতিষ্ঠান নতুন সাইবার নিরাপত্তা পার্টনারদের বিশ্বাসযোগ্যতা মূল্যায়নে সমস্যায় পড়ে। ৬২ শতাংশ প্রতিষ্ঠান বিদ্যমান সরবরাহকারীদের ক্ষেত্রেও একই সমস্যায় পড়ছেন। ৫১ শতাংশ প্রতিষ্ঠান এই আস্থার অভাবে বড় ধরনের সাইবার আক্রমণের ঝুঁকি নিয়ে বেশি উদ্বিগ্ন।
গবেষণায় দেখা গেছে, আস্থা গড়ে তোলার ক্ষেত্রে সার্টিফিকেশন এবং প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা ব্যবস্থার মাত্রার যাচাই করার বিষয়গুলো গুরুত্বপূর্ণ। সাইবার নিরাপত্তা খাতের প্রধান কর্মকর্তারা বেশি গুরুত্ব দেন স্বচ্ছতা ও প্রযুক্তিগত পারফরম্যান্সে। অন্যদিকে, শীর্ষ ব্যবস্থাপনার কর্মীরা বেশি গুরুত্ব দেয় নিরাপত্তা যাচাই ও সার্টিফিকেশনে। এ ছাড়া, সাইবার নিরাপত্তায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার বাড়ায় এখন স্বচ্ছতা, এবং জবাবদিহিতা আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠেছে।





