সাম্প্রতিক সংবাদ

জাতিসংঘে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সাফল্য, বায়োইকোনমি রেজুলেশন গৃহীত

ক.বি.ডেস্ক: ব্যাংককে চার দিনব্যাপী (২১-২৪ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত হলো জাতিসংঘের এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশন (এসক্যাপ)- এর ৮২তম অধিবেশন। গতকাল শুক্রবার অধিবেশনের সমাপনী অনুষ্ঠানে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনামের নেতৃত্বে টেকসই বায়োইকোনমি বা জৈব অর্থনীতি বিষয়ক একটি যুগান্তকারী রেজুলেশন গ্রহণে নেতৃত্ব দেয় বাংলাদেশ।

এ অর্জন আঞ্চলিক উন্নয়ন এজেন্ডা নির্ধারণে বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান নেতৃত্বকে আরও সুদৃঢ় করেছে। ‘সাপোর্টিং দ্য ট্রানজিশন টুওয়ার্ডস এ সাসটেইনেবল বায়োইকোনমি ইন এশিয়া অ্যান্ড দ্য প্যাসিফিক’ শীর্ষক রেজুলেশনটি বাংলাদেশের উদ্যোগে উত্থাপিত হয় এবং সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সর্বসম্মত সমর্থনে গৃহীত হয়। যা এ অঞ্চলে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সক্ষমতার স্বীকৃতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

রেজুলেশনটি বাংলাদেশের জাতীয় অগ্রাধিকার-টেকসই, উদ্ভাবননির্ভর ও অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি অর্জনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। এতে সার্কুলার অর্থনীতি, সম্পদের দক্ষ ব্যবহার এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির প্রয়োগের মাধ্যমে অর্থনৈতিক রূপান্তরের ওপর গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। এ ছাড়া এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলে জ্ঞান বিনিময়, সক্ষমতা বৃদ্ধি, বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং টেকসই বায়ো-ইকোনমি ভ্যালু চেইন গড়ে তুলতে আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান জানানো হয়েছে।

মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেন, ‘বায়োইকোনমি শুধু একটি নতুন ধারণা নয়; এটি জলবায়ু চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা, স্থিতিস্থাপকতা বৃদ্ধি এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করার একটি কার্যকর পথ।’

বাংলাদেশের এ উদ্যোগে সহ-পৃষ্ঠপোষক হিসেবে ভারত, থাইল্যান্ড, শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ, নেপাল, ভুটান, চীন, মঙ্গোলিয়া, আর্মেনিয়া ও কাজাখস্তানসহ বিভিন্ন দেশ সমর্থন দিয়েছে। যা টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে আঞ্চলিক ঐকমত্যের প্রতিফলন।

অধিবেশনে আরও ‘সব বয়সের মানুষের জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গঠনে সামাজিক উন্নয়ন জোরদার’ বিষয়ে বাকু-ব্যাংকক ঘোষণা গৃহীত হয়েছে। এতে অঞ্চলে অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই সামাজিক উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে।

Related Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *