‘ফ্রি’ ইন্টারনেটের ফাঁদ, পণ্য যখন আপনি নিজেই
সোহেল মৃধা: ইন্টারনেটের দুনিয়ায় একটি বহুল প্রচলিত প্রবাদ আছে, ‘‘আপনি যদি পণ্যের জন্য মূল্য না দেন, তবে আপনি নিজেই পণ্য’’। আমরা প্রতিদিন অবলীলায় ফেসবুক স্ক্রল করছি, হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা পাঠাচ্ছি কিংবা গুগল ম্যাপ দেখে গন্তব্য খুঁজে নিচ্ছি। আপাতদৃষ্টিতে এসব সেবা বিনামূল্যে মনে হলেও, এর নেপথ্যে সচল রয়েছে কয়েক ট্রিলিয়ন ডলারের একটি জটিল অর্থনৈতিক কাঠামো, যাকে বিশেষজ্ঞরা বলছেন ‘সার্ভেইল্যান্স ক্যাপিটালিজম’ বা নজরদারি পুঁজিবাদ।
ফ্রি-এর আড়ালে লুকানো ‘ডেটা ক্যাপিটাল’
একটি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান যখন শত কোটি গ্রাহককে বিনামূল্যে স্টোরেজ (জিমেইল) বা যোগাযোগের প্ল্যাটফর্ম (হোয়াটসঅ্যাপ) দেয়, তখন তাদের প্রাথমিক বিনিয়োগের মূল লক্ষ্য থাকে তথ্য সংগ্রহ। আপনি কী পছন্দ করেন, কোন লিঙ্কে ক্লিক করছেন, এমনকি একটি ছবির ওপর কত সেকেন্ড থামছেন এই ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র তথ্যগুলো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) বিশ্লেষণ করে একটি ‘ডিজিটাল প্রোফাইল’ তৈরি করে। গুগল বা মেটার মতো অ্যাপগুলো আপনার জিপিএস ডেটা ব্যবহার করে জানে আপনি কোথায় যাচ্ছেন, কোন ব্র্যান্ডের দোকানে ঢুকছেন। এই তথ্যগুলো বিজ্ঞাপনদাতাদের কাছে সোনার খনি।
অর্থনৈতিক পরিসংখ্যান ও মুনাফার মডেল
প্রযুক্তি জায়ান্টদের আয়ের উৎস বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, তাদের আয়ের সিংহভাগই আসে বিজ্ঞাপন থেকে, যা মূলত গ্রাহকের তথ্যের ওপর ভিত্তি করে তৈরি। ২০২৪ সালের রিপোর্ট অনুযায়ী, মেটার (ফেসবুক/ইনস্টাগ্রাম) মোট আয়ের ৯৭ শতাংশের বেশি আসে বিজ্ঞাপন থেকে। তারা আপনার ব্যক্তিগত রুচি ও শখের ডেটা ব্যবহার করে বিজ্ঞাপনদাতাদের একটি ‘টার্গেটেড অডিয়েন্স’ লকার উপহার দেয়। গুগলের বার্ষিক আয়ের প্রায় ৮০ শতাংশ বিজ্ঞাপন-নির্ভর। সার্চ রেজাল্ট থেকে শুরু করে ইউটিউব ভিডিও প্রতিটি পদক্ষেপে আপনার ডেটা প্রোফাইল অনুযায়ী বিজ্ঞাপন সাজানো হয়।
ব্যক্তিগত তথ্যের বাণিজ্যিক ব্যবহার ও ঝুঁকি
আমরা যখন কোনও অ্যাপের শর্তাবলী না পড়েই ‘Accept’ বাটনে ক্লিক করি, তখন পরোক্ষভাবে আমরা আমাদের তথ্যের মালিকানা তাদের হাতে তুলে দিই। ইন্টারনেটে হাজারও ‘ডেটা ব্রোকার’ প্রতিষ্ঠান রয়েছে যারা বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম থেকে ব্যবহারকারীর তথ্য সংগ্রহ করে এবং সেগুলো বিমা কোম্পানি, ব্যাংক বা রাজনৈতিক ক্যাম্পেইনারদের কাছে বিক্রি করে।
রাজনৈতিক ম্যানিপুলেশন: কেমব্রিজ অ্যানালিটিকা কেলেঙ্কারি আমাদের শিখিয়েছে কীভাবে ব্যক্তিগত তথ্য ব্যবহার করে জনমত পরিবর্তন বা নির্বাচনের ফলাফলে প্রভাব ফেলা সম্ভব।
আপনি কি জানেন?
তথ্যপ্রযুক্তির এই যুগে আমাদের অজান্তেই কী পরিমাণ ডেটা সংগৃহীত হচ্ছে তার কিছু চমকপ্রদ ও বৈশ্বিক পরিসংখ্যান নিচে দেয়া হলো-
গুগলের ডেটা ব্যাংক: গুগল আপনার সম্পর্কে গড়ে ২ গিগাবাইটের সমান তথ্য (আপনার লোকেশন, সার্চ হিস্টোরি, ভয়েস কমান্ডসহ) জমা রাখে।
বৈশ্বিক সংযোগ: বিশ্বের মোট জনসংখ্যার প্রায় ৬৭ শতাংশ মানুষ এখন ইন্টারনেটে সংযুক্ত, যাদের প্রতি সেকেন্ডের কর্মকাণ্ড রেকর্ড করা হচ্ছে।
আপনার তথ্যের মূল্য: ফেসবুক (মেটা) শুধুমাত্র আপনার ব্যক্তিগত ডেটা বিশ্লেষণ ও ব্যবহারের মাধ্যমে প্রতি বছর আপনার কাছ থেকে গড়ে ২১ ডলার মুনাফা অর্জন করে।
এআই যুগে তথ্যের নতুন সমীকরণ
বর্তমান চ্যাটজিপিটি বা জেমিনির মতো এআই মডেলগুলোর প্রশিক্ষণের জন্য প্রয়োজন বিশাল তথ্যভাণ্ডার। ইন্টারনেটে আমাদের আপলোড করা ছবি, পোস্ট এবং ব্যক্তিগত ব্লগগুলোই এই এআই-কে প্রশিক্ষিত করছে। অর্থাৎ, আমরা বিনা পারিশ্রমিকে বড় বড় প্রতিষ্ঠানের এআই মডেল তৈরির কাঁচামাল হিসেবে নিজেদের তথ্য সরবরাহ করছি।
গাণিতিক ও লজিক্যাল বাস্তবতা
অর্থনৈতিক তত্ত্ব অনুযায়ী, সার্ভার পরিচালনা, বিদ্যুৎ খরচ এবং হাজার হাজার ইঞ্জিনিয়ারের বেতন মেটাতে এই কোম্পানিগুলোর প্রতিদিন কোটি কোটি ডলার খরচ হয়। কোনও যুক্তিতেই তারা লস দিয়ে এই সেবা দেবে না। সুতরাং, আপনার কাছ থেকে টাকা না নিলেও আপনার প্রতিটি ক্লিকে তারা মুনাফা অর্জন করছে।
আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপট ও বড় কোম্পানিগুলোর ভূমিকা
বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো কীভাবে ডেটা সংগ্রহ ও প্রক্রিয়াজাত করছে তার কিছু সুনির্দিষ্ট উদাহরণ নিচে দেয়া হলো-
অ্যামাজন: তারা শুধু পণ্য বিক্রয় নয়, বরং একজন গ্রাহকের ক্রয় ক্ষমতা, খাদ্যাভ্যাস এবং পারিবারিক জীবনযাত্রার প্যাটার্ন বিশ্লেষণ করে। তাদের স্মার্ট স্পিকার অ্যালেক্সা আপনার ঘরের কথোপকথন থেকে রুচি বোঝার চেষ্টা করে।
টিকটক: এদের অ্যালগরিদম বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী হিসেবে বিবেচিত। ব্যবহারকারী কোন ভিডিও কতক্ষণ দেখছেন এবং তার চোখের মণি কোন অংশে মুভ করছে, তা বিশ্লেষণের মাধ্যমে গভীর মানসিক প্রোফাইলিং করা হয়।
অ্যাপল: তারা নিজেদের গোপনীয়তার রক্ষক দাবি করলেও, তাদের ইকোসিস্টেমে থাকা ইউজার আইডি’র মাধ্যমে তারা নিজস্ব বিজ্ঞাপন নেটওয়ার্ক শক্তিশালী করছে।
ডেটা ব্রোকার কোম্পানি (অ্যাক্সিওম, এপসিলন): এই কোম্পানিগুলোর কাছে বিশ্বের কোটি কোটি মানুষের আড়াই হাজারেরও বেশি ধরনের ব্যক্তিগত বৈশিষ্ট্য বা ডেটা পয়েন্ট সংরক্ষিত আছে।
পরিসংখ্যানগত ও গ্লোবাল ডেটা বিশ্লেষণ
গ্লোবাল ডেটা মার্কেটের আকার বিশ্লেষণ করলে আরও কিছু গভীর তথ্য সামনে আসে-
ডেটা ইকোনমির বাজার: ২০২৫ সাল নাগাদ বিশ্বব্যাপী ডেটা ব্রোকিং এবং ডেটা অ্যানালিটিক্স মার্কেটের আর্থিক মূল্য দাঁড়াবে প্রায় ৫০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারেরও বেশি।
মাথাপিছু তথ্যের মূল্য: প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, একজন গড়পড়তা সক্রিয় ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর তথ্যের বার্ষিক বাজার মূল্য প্রায় ২০০ থেকে ৫০০ ডলার, যা তিনি অজান্তেই কোম্পানিগুলোকে দান করছেন।
বিশাল তথ্যভাণ্ডার: প্রতিদিন বিশ্বে প্রায় ৩৩০ মিলিয়ন টেরাবাইট ডেটা তৈরি হচ্ছে। এই বিপুল তথ্যের ৯০ শতাংশই তৈরি হয়েছে গত মাত্র ২ বছরে, যার মূল কারিগর সাধারণ ব্যবহারকারী।
আন্তর্জাতিক আইনের সুরক্ষা ও ডেটা কলোনিয়ালিজম
বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে ইউরোপীয় ইউনিয়নের জেনারেল ডেটা প্রটেকশন রেগুলেশন (জিডিপিআর) এখন ডেটা সুরক্ষার বৈশ্বিক মানদণ্ড। এই আইন অনুযায়ী, কোনও কোম্পানি গ্রাহকের সম্মতি ছাড়া তথ্য সংগ্রহ করলে বিলিয়ন ডলার জরিমানার বিধান রয়েছে। বড় বড় টেক জায়ান্টরা বর্তমানে বাংলাদেশের মতো দেশগুলোকে তথ্য-উপনিবেশ হিসেবে ব্যবহার করছে, যেখানে তারা অবাধে ডেটা সংগ্রহ করলেও স্থানীয় আইনকে অনেক সময় তোয়াক্কা করতে চায় না। আমাদের নাগরিকদেরও আন্তর্জাতিক মানের তথ্য মুছে ফেলার অধিকার নিশ্চিত করতে হবে, যাতে ইন্টারনেটের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট আমাদের নিরাপত্তার অন্তরায় হয়ে না দাঁড়ায়।
বাংলাদেশ সরকারের করণীয় ও উপাত্ত সুরক্ষা আইন
বাংলাদেশ সরকারের জন্য নাগরিকদের ডিজিটাল সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা এখন একটি জাতীয় নিরাপত্তা ইস্যুতে পরিণত হয়েছে।
উপাত্ত সুরক্ষা আইন (ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষা আইন): বাংলাদেশের প্রস্তাবিত উপাত্ত সুরক্ষা আইনটি ইউরোপীয় ইউনিয়ন এর জিডিপিআর-এর আদলে হওয়া জরুরি। এটি কার্যকর হলে ফেসবুক-গুগল বাংলাদেশে ব্যবসা করতে চাইলে ব্যবহারকারীর অনুমতি ছাড়া তথ্য সংগ্রহে আইনত বাধ্য থাকবে।
ডেটা লোকালাইজেশন ও রেগুলেটরি স্যান্ডবক্স: সরকার বিদেশি কোম্পানিগুলোকে বাধ্য করতে পারে যাতে বাংলাদেশের নাগরিকদের ডেটা বাংলাদেশের সীমানার ভেতরে থাকা সার্ভারে সংরক্ষিত থাকে। পাশাপাশি একটি রেগুলেটরি স্যান্ডবক্স তৈরি করে তাদের জবাবদিহিতার আওতায় আনা প্রয়োজন।
টেক জায়ান্টদের ওপর নিয়ন্ত্রণ: ডিজিটাল অর্থনীতিতে সরকার ডিজিটাল সার্ভিস ট্যাক্স আরোপের পাশাপাশি নাগরিকদের গোপনীয়তা লঙ্ঘিত হলে ওই কোম্পানিগুলোকে বড় অংকের জরিমানা করার বিধান রাখতে পারে।
উপাত্ত সুরক্ষায় গবেষণার গুরুত্ব ও ডিসিআরএএফ
বাংলাদেশে ই-কমার্স ও ডিজিটাল অর্থনীতির দ্রুত বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে নাগরিকদের তথ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি। এই লক্ষ্যে ডিজিটাল কমার্স রিসার্চ অ্যান্ড অ্যাডভোকেসি ফোরাম (ডিসিআরএএফ) নিরন্তর কাজ করে যাচ্ছে। আমাদের গবেষণায় দেখা গেছে, যথাযথ নীতিমালা এবং সচেতনতার অভাবে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তা থেকে শুরু করে সাধারণ গ্রাহক সবাই ডিজিটাল ঝুঁকির মুখে রয়েছেন। ডিসিআরএএফ-এর পক্ষ থেকে একটি স্মার্ট ইকোনমি রোডম্যাপ এবং তথ্যের সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে উদ্যোক্তাদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে অ্যাডভোকেসি চালিয়ে যাচ্ছি।
অ্যালগরিদমিক বায়াস ও মানসিক নিয়ন্ত্রণ
ব্যক্তিগত তথ্য ব্যবহার করে বর্তমানের এআই প্ল্যাটফর্মগুলো এমনভাবে আমাদের স্ক্রিনের সামনে কন্টেন্ট উপস্থাপন করে, যা আমাদের অজান্তেই আমাদের চিন্তা ও সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করে। একে ইকো চেম্বার বলা হয়, যেখানে আপনি শুধু আপনার পছন্দের মতাদর্শই দেখতে পান। এটি কেবল বাণিজ্যিক নয়, সামাজিক ও মানসিক ভারসাম্যের জন্যও একটি বড় চ্যালেঞ্জ।
প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের বিশেষ পরামর্শ ও সচেতনতা
ডিজিটাল লিটারেসি ও অ্যাপ পারমিশন অডিট
অধিকাংশ অ্যাপ অপ্রয়োজনে কন্টাক্ট লিস্ট বা গ্যালারির এক্সেস চায়। নিয়মিত আপনার ফোনের গোপনীয়তা সেটিংস চেক করুন। যে অ্যাপের কাজ শুধু ক্যালকুলেটর, তার কেন আপনার লোকেশন বা মাইক্রোফোন দরকার? অপ্রয়োজনীয় পারমিশনগুলো দ্রুত বন্ধ করুন।
প্রাইভেসি ফার্স্ট টুলস ব্যবহার করা
গুগলের বিকল্প হিসেবে ডাকডাকগো সার্চ ইঞ্জিন ব্যবহার করুন, যা আপনার সার্চ হিস্টোরি ট্র্যাক করে না। ব্রাউজার হিসেবে ব্রেভ বা ফায়ারফক্স ব্যবহার করতে পারেন যা ট্র্যাকারদের ব্লক করে দেয়। হোয়াটসঅ্যাপের পরিবর্তে আরও বেশি সুরক্ষিত সিগনাল অ্যাপ ব্যবহার করা যেতে পারে।
কুকি ম্যানেজমেন্ট ও অ্যাড-ব্লকার
যেকোনও ওয়েবসাইটে ঢোকার সময় Accept All Cookies না দিয়ে Manage Settings থেকে অপ্রয়োজনীয় ট্র্যাকিং অফ করে দেয়া উচিত। ব্রাউজারে ভালো মানের uBlock Origin- এর মতো অ্যাড-ব্লকার ব্যবহার করুন।
ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট কমানো
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অতি-ব্যক্তিগত তথ্য (যেমন: বাসার ঠিকানা, সন্তানের স্কুলের নাম, ভ্রমণের রিয়েল-টাইম লোকেশন) শেয়ার করা থেকে বিরত থাকুন। আপনি যত কম তথ্য পাবলিকলি দেবেন, আপনার প্রোফাইলিং করা প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর জন্য তত কঠিন হবে।
টু-ফ্যাক্টর অথেন্টিকেশন পাসওয়ার্ড ম্যানেজার
প্রতিটি অ্যাকাউন্টের জন্য আলাদা ও জটিল পাসওয়ার্ড ব্যবহার করুন। পাসওয়ার্ড মনে রাখার জন্য বিটওয়ার্ডেন-এর মতো ওপেন সোর্স পাসওয়ার্ড ম্যানেজার ব্যবহার করতে পারেন। অবশ্যই আপনার ইমেইল ও সোশ্যাল মিডিয়ায় টু-ফ্যাক্টর অথেন্টিকেশন চালু রাখুন।
পাবলিক ওয়াই-ফাই ব্যবহারে সতর্কতা
ফ্রি ওয়াই-ফাই ব্যবহার করার সময় কখনোই ব্যাংক লেনদেন বা ব্যক্তিগত ইমেইল চেক করবেন না। যদি করতেই হয়, তবে একটি ভালো মানের ভার্চুয়াল প্রাইভেট নেটওয়ার্ক (ভিপি্এন) ব্যবহার করুন যা আপনার ডেটা চ্যানেলকে এনক্রিপ্ট করে রাখবে।
প্রযুক্তি বর্জন করা সমাধান নয়, বরং সচেতনতাই আসল বর্ম। তথ্যপ্রযুক্তির সুফল ভোগ করার পাশাপাশি নিজেদের গোপনীয়তা রক্ষায় আমাদের আরও বেশি দায়বদ্ধ হতে হবে। মনে রাখতে হবে, আপনার তথ্য আপনার সম্পদ; একে অন্যের মুনাফার সস্তা কাঁচামাল হতে দেবেন না।





