স্মার্ট প্রাথমিক শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ
ক.বি.ডেস্ক: দেশের প্রতিটি শিশুর জন্য নিরাপদ, আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর ও আনন্দমুখর শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে একটি যুগোপযোগী ও অন্তর্ভুক্তিমূলক স্মার্ট প্রাথমিক শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
আজ মঙ্গলবার (৫ মে) প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে অধিদপ্তরের অধীন নতুন উন্নয়ন প্রকল্পসমূহ নিয়ে আয়োজিত পর্যালোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ এ কথা বলেন।
পর্যালোচনা সভায় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. মোখলেছুর রহমান এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদৌসী উপস্থিত ছিলেন। সভায় অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা প্রকল্পের বাস্তবায়ন কৌশল ও মনিটরিং ব্যবস্থা নিয়ে তাদের মতামত তুলে ধরেন।
প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেন, ‘‘একটি সমন্বিত ডিজিটাল এডুকেশন ইকোসিস্টেম গড়ে তুলতে হবে, ভবিষ্যতের শিক্ষাব্যবস্থা হবে প্রযুক্তিনির্ভর। লার্নিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (এলএমএস), স্মার্ট অ্যাসেসমেন্ট এবং স্কুল ম্যানেজমেন্টসহ সবকিছু একই ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের আওতায় আনা হবে। বর্তমানে মৌলিক সাক্ষরতা ও সংখ্যাজ্ঞান উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। ভাষা শিক্ষার ক্ষেত্রে পাঠ অনুধাবন, শ্রবণ ও কথোপকথন দক্ষতা বৃদ্ধিতে নতুন উদ্যমে কাজ করা হচ্ছে।’’
সভায় জানানো হয়, প্রাথমিক শিক্ষার সার্বিক উন্নয়ন ও আধুনিকায়নের লক্ষ্যে ১৩টি নতুন উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে, যা ইতোমধ্যে সরকারের ‘সবুজ পাতায়’ অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে- সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় উন্নয়ন প্রকল্প; ১১টি সিটি কর্পোরেশনের মডেল স্কুলের অবকাঠামো উন্নয়ন; জরাজীর্ণ স্কুল সংস্কার; খেলার মাঠ উন্নয়ন; প্রাক-প্রাথমিক শ্রেণিকক্ষ সজ্জিতকরণ; দ্বিতীয় পর্যায়ের মিড-ডে মিল প্রকল্প; নেক্সটজেন প্রাইমারি এডুকেশন প্রোগ্রাম এবং পার্বত্য জেলায় বিদ্যুৎহীন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সৌরবিদ্যুতায়ন প্রকল্প। এ ছাড়াও সারা দেশে পিটিআই-এর অবকাঠামো উন্নয়ন এবং ইউনিয়ন পর্যায়ে মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় উন্নয়ন প্রকল্পও এই তালিকায় রয়েছে।





