‘বাংলা কিউআর’ পেমেন্টে বেআইনি ক্যাশ আউট, ভ্যাট ফাঁকির নতুন ঝুঁকি
সোহেল মৃধা: বাংলাদেশের আর্থিক লেনদেন ব্যবস্থার ডিজিটাইজেশন ও সার্বিক আধুনিকায়নের ইতিহাসে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও নীতিগত মাইলফলক ছিল সর্বজনীন ও ইন্টারঅপারেবল পেমেন্ট পরিকাঠামো ‘বাংলা কিউআর’। দেশজুড়ে নগদ অর্থের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে একটি নিরবচ্ছিন্ন, নিরাপদ ও স্বচ্ছ ‘ক্যাশলেস সোসাইটি’ গড়ে তোলার প্রত্যয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক এই জাতীয় কিউআর স্ট্যান্ডার্ড প্রবর্তন করা হয়।
জাতীয় আর্থিক অন্তর্ভুক্তি কৌশল এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের পেমেন্ট সিস্টেমস ডিপার্টমেন্টের সামগ্রিক রূপরেখা অনুযায়ী, একটি সমন্বিত পেমেন্ট ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার প্রাথমিক লক্ষ্য ছিল সরকারের বিশাল পরিচালনা ও নগদ অর্থ ব্যবস্থাপনা ব্যয় হ্রাস করা। কারণ, নতুন কাগজের নোট ছাপা, ভল্টিং, নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, পরিবহন এবং ব্যাংকগুলোতে ক্যাশ প্রসেসিং সহ অন-ক্যাশ ট্রানজেকশনের পেছনে সরকারের প্রতি বছর আনুমানিক ২০,০০০ থেকে ২৫,০০০ কোটি টাকা খরচ হয়। দীর্ঘমেয়াদি এই ডিজিটাল পরিকল্পনার মূল উদ্দেশ্য ছিল এই জাতীয় অপচয়ের পরিমাণ অন্তত ৫০ শতাংশে নামিয়ে আনা।
একই উদ্দেশ্যে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, জাতীয় সংস্কার কৌশল, ডিজিটাল কমার্স নীতিমালার সংশোধিত আইন কাঠামো এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড যৌথভাবে ক্ষুদ্র, কুটির ও মাঝারি শিল্প (সিএমএসএমই) খাতের উদ্যোক্তাদের আধুনিক পেমেন্ট নেটওয়ার্কে যুক্ত করতে বিশেষ ট্যাক্স রিবেট, মার্চেন্ট ডিসকাউন্ট রেট শিথিলকরণ এবং প্রণোদনা সুবিধা নিশ্চিত করে আসছে। সরকারের মূল লক্ষ্য ছিল প্রতিটি ক্ষুদ্র পানের দোকান থেকে শুরু করে প্রান্তিক বাজারের নিত্যপণ্যের বিক্রেতাকে বাণিজ্যিক পেমেন্টের আওতায় আনা।
তবে নীতিগত এই যুগান্তকারী উদ্যোগের বিপরীত পিঠে দাঁড়িয়ে মাঠপর্যায়ে মাথাচাড়া দিয়ে ওঠেছে এক গভীর অনিয়ম ও ডিজিটাল রূপান্তরের অপব্যবহার। দেশের মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) এজেন্ট ও একশ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ীদের চক্র কেনাকাটার জন্য নির্ধারিত ‘মার্চেন্ট পেমেন্ট’ পোর্টালকে সম্পূর্ণ বেআইনিভাবে ‘ক্যাশ আউট’ বা অনিয়ন্ত্রিত নগদ উত্তোলনের অবৈধ ব্যবসায় রূপান্তরিত করেছে। এর ফলে সরকারের ক্যাশলেস রূপান্তরের মৌলিক উদ্দেশ্য ভেস্তে যাওয়ার পাশাপাশি জাতীয় রাজস্ব, ব্যাংকিং শৃঙ্খলা, পেমেন্ট সিকিউরিটি এবং প্রান্তিক আর্থিক কাঠামো নজিরবিহীন ঝুঁকির মুখে পড়ছে।
ছদ্মবেশী লেনদেনের মেকানিজম ও তিন স্তরের অপরাধের ধরন
অভিযোগ মতে, রাজধানী ঢাকার প্রধান প্রধান বাণিজ্যিক হাব- যেমন মতিঝিল, কারওয়ান বাজার, মালিবাগ, উত্তরা, মিরপুর, ফার্মগেট থেকে শুরু করে দেশের বিভাগীয় ও জেলা শহরগুলো (চট্টগ্রাম, সিলেট, বগুড়া, খুলনা, রাজশাহী, বরিশাল) এবং গ্রামীণ বাজারের টেলিকম ফ্ল্যাক্সিলোড ও ক্ষুদ্র রিচার্জ পয়েন্টগুলোতে এই ছদ্মবেশী লেনদেন অনিয়ন্ত্রিতভাবে ছড়িয়ে পড়েছে।
জরুরি প্রয়োজনে সাধারণ কোনও গ্রাহক যখন নিজের এমএফএস অ্যাকাউন্ট থেকে নগদ অর্থ তুলতে এজেন্ট পয়েন্টে যান, তখন তাকে ব্যাংকিং নিয়মানুযায়ী নির্ধারিত এজেন্ট ক্যাশ আউট নম্বর না দিয়ে কাউন্টারে ঝুলানো কোনও বাণিজ্যিক ব্যাংক বা ফিনটেক প্রতিষ্ঠানের ‘বাংলা কিউআর’ স্ক্যান করে পেমেন্ট’ করতে উৎসাহিত বা বিভ্রান্ত করা হয়। সাধারণ গ্রাহক পেমেন্ট ও ক্যাশ আউটের কারিগরি এবং আইনি পার্থক্য না বুঝে অ্যাপের মাধ্যমে মার্চেন্ট পেমেন্ট সম্পন্ন করেন। অন্যদিকে, অসাধু দোকানদার কোনও পণ্য বা সেবা হস্তান্তর ছাড়াই নিজের ক্যাশ ড্রয়ার থেকে সমপরিমাণ নগদ অর্থ গ্রাহকের হাতে তুলে দেন। এই একটিমাত্র কৃত্রিম লেনদেনের আড়ালে পদ্ধতিগত ও আইনিভাবে তিনটি গুরুতর অপরাধ পর্যায়ক্রমে সংঘটিত হচ্ছে।
প্রথমত, এটি একটি পণ্যহীন ভুয়া বাণিজ্যিক পেমেন্ট। পেমেন্ট অ্যান্ড সেটেলমেন্ট সিস্টেমস অ্যাক্ট এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিপত্র অনুযায়ী মার্চেন্ট পেমেন্টের একমাত্র আইনি ভিত্তি হলো বাস্তব পণ্য বা সেবার হস্তান্তর। কোনও লেনদেনে পণ্য কেনাবেচা না থাকা সত্ত্বেও ব্যাংকিং চ্যানেলে পেমেন্ট দেখানো পেমেন্ট সিকিউরিটি ও ফিন্যান্সিয়াল ইন্টিগ্রিটির স্পষ্ট লঙ্ঘন।
দ্বিতীয়ত, গ্রাহক শোষণ ও অনৈতিক ফি গ্রহণ। বাংলাদেশ ব্যাংকের কঠোর নির্দেশনায় বাংলা কিউআরে কেনাকাটার পেমেন্ট গ্রাহকের জন্য সম্পূর্ণ ফি-মুক্ত (০% চার্জ) নির্ধারণ করা হয়েছে। কিন্তু অসাধু ব্যবসায়ীরা অসচেতন গ্রাহকের অজ্ঞতার সুযোগ নিয়ে সাধারণ ক্যাশ আউটের পূর্ণাঙ্গ ফি (প্রতি হাজারে ১৪.৯০ টাকা থেকে ১৮.৫০ টাকা পর্যন্ত) গ্রাহকের কাছ থেকে নগদে বা কেটে রেখে বেআইনিভাবে আদায় করছেন।
তৃতীয়ত, বিপুল পরিমাণ ভ্যাট ও কর ফাঁকি। এমএফএস ক্যাশ আউটের ওপর সরকার নির্ধারিত ১৫% ভ্যাট এবং ব্যাংকিং বা এমএফএস অপারেটরের আয়ের ওপর প্রযোজ্য কর্পোরেট ট্যাক্স সম্পূর্ণ এড়িয়ে যাওয়া হচ্ছে। এতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড প্রতিদিন লাখ লাখ টাকার রাজস্ব হারাচ্ছে।
অনবোর্ডিং বিশৃঙ্খলা, তদারকিমূলক ঘাটতি ও প্রান্তিক ইকোসিস্টেমে আঘাত
শিল্প খাতের বিভিন্ন পরিসংখ্যান ও প্রাক্কলন অনুযায়ী, দেশে ইতোমধ্যেই প্রায় ৩২ লক্ষাধিক ছোট-বড় ব্যবসায়ী ও ক্ষুদ্র দোকানদারকে ‘বাংলা কিউআর’ ইকোসিস্টেমে নিবন্ধিত করা হয়েছে। প্রতিদিন শত শত কোটি টাকার লেনদেন এই ইন্টারঅপারেবল সমন্বিত নেটওয়ার্কে পরিচালিত হচ্ছে। তবে অনবোর্ডিংয়ের এই দ্রুত প্রসারের আড়ালেই মূলত শক্তিশালী তদারকি কাঠামোর অভাব স্পষ্ট হয়ে ওঠেছে।
ব্যাংক ও ফিনটেক প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের ব্যবসায়িক পারফর্মেন্স লক্ষ্যমাত্রা পূরণের তীব্র প্রতিযোগিতায় নেমে যথাযথ ফিল্ড ভিজিট বা নো ইউর কাস্টমার (কেওয়াইসি) যাচাই ছাড়াই সাধারণ এমএফএস এজেন্টদের হাতে মার্চেন্ট অ্যাকাউন্ট তুলে দিচ্ছে। এর ফলে ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের সত্যতা যাচাই না করেই মার্চেন্ট কিউআর কোড সরবরাহ করা হচ্ছে।
একই সঙ্গে এজেন্ট ও মার্চেন্ট কাঠামোর মধ্যে বড় ধরনের নীতিগত অসামঞ্জস্য তৈরি হয়েছে। প্রায় দেড় দশক ধরে এমএফএস খাতের ভারসাম্য রক্ষায় একই দোকানে এজেন্ট এবং মার্চেন্ট অ্যাকাউন্ট চালুর ওপর সুস্পষ্ট আইনি নিষেধাজ্ঞা ছিল। কিন্তু সর্বজনীন কিউআর চালুর পর সেই দুই ব্যবস্থার সুনির্দিষ্ট ভৌগোলিক ও আইনি সীমারেখা অস্পষ্ট হয়ে পড়ে। ফলস্বরূপ, অসাধু চক্র একই কাউন্টারে এজেন্টের আড়ালে ব্যাংকের মার্চেন্ট কিউআর ঝুলিয়ে অবৈধ নগদ উত্তোলনের সমান্তরাল সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছে।
এর সুদূরপ্রসারী নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে দেশের লাখ লাখ বৈধ এমএফএস এজেন্টের ওপর। এমএফএস খাতের মূল চালিকাশক্তি হলো প্রান্তিক এজেন্ট নেটওয়ার্ক। অনিয়মতান্ত্রিক উপায়ে পেমেন্ট পোর্টালে অবৈধ ক্যাশ আউট বাড়তে থাকলে প্রকৃত এজেন্টরা তাদের ন্যায্য কমিশন হারাবেন এবং ব্যবসা গুটাতে বাধ্য হবেন। ফলে দেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর তৃণমূল পর্যায়ে আর্থিক সেবা পাওয়ার মৌলিক অধিকারই ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
সামষ্টিক অর্থনৈতিক ঝুঁকি, মানি লন্ডারিং ও কঠোর আইনি বিধান
এই অনিয়মের ব্যাপ্তি কেবল একজন দোকানদারের ব্যক্তিগত অনৈতিক মুনাফা অর্জনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; এটি দেশের সামষ্টিক অর্থনীতির ওপর বেশ কিছু বহুমুখী ঝুঁকি তৈরি করছে।
প্রথমত, মানি লন্ডারিং ও ছায়া অর্থনীতির বিস্তার ঘটছে। মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ অনুযায়ী, বাস্তব লেনদেন ছাড়া ইলেকট্রনিক অর্থকে নগদে রূপান্তর করা অর্থ পাচারের শামিল। অভিযোগ রয়েছে, এই অপ্রদর্শিত পেমেন্ট চ্যানেল ব্যবহার করে অনিয়ন্ত্রিত অর্থ প্রবাহ, ক্রিপ্টোকারেন্সি কেনাবেচা, অবৈধ অনলাইন জুয়া এবং হুন্ডি চক্র তাদের অর্থের প্রকৃত উৎস ও গন্তব্য গোপন করার সুযোগ পাচ্ছে।
দ্বিতীয়ত, গ্রাহকের অনাকাঙ্ক্ষিত আইনি সংকট তৈরি হচ্ছে। সাধারণ নাগরিক না বুঝে ক্যাশ আউটের উদ্দেশ্যে এমন পেমেন্ট করলেও, বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (বিএফআইইউ) এআই মনিটরিং সিস্টেমে ট্রানজেকশনটি সন্দেহজনক লেনদেন হিসেবে ফ্ল্যাগ হতে পারে। এতে ভবিষ্যতে ওই সাধারণ ব্যবহারকারী আইন প্রয়োগকারী সংস্থার প্রশ্নের মুখে পড়তে পারেন।
তৃতীয়ত, সরকারি আইনি অবকাঠামো ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অবস্থান অত্যন্ত কঠোর। পরিশোধ ও নিষ্পত্তি ব্যবস্থা আইন, ২০২৪ এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংক কর্তৃক সম্প্রতি জারিকৃত স্পষ্ট নির্দেশিকা অনুযায়ী- মার্চেন্ট অ্যাকাউন্টে কৃত্রিম লেনদেন বিভাজন বা অনিয়ন্ত্রিত ক্যাশ আউটের প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীর ট্রেড লাইসেন্স ও মার্চেন্ট অ্যাকাউন্ট চিরতরে বাতিল করা হবে। অভিযুক্ত ব্যক্তির সমস্ত ব্যাংক ও এমএফএস অ্যাকাউন্ট জব্দ করার আদেশ দেয়া হবে। পাশাপাশি তদারকিতে ব্যর্থ অনবোর্ডিংকারী ব্যাংক বা একুয়ারিং প্রতিষ্ঠানের ওপর সর্বোচ্চ ৩০ লাখ টাকা পর্যন্ত শাস্তিমূলক জরিমানা এবং মার্চেন্ট অ্যাকুয়ারিং সনদ স্থগিতের স্পষ্ট বিধান রয়েছে।
টেকসই উত্তরণের নীতিগত রূপরেখা ও সুপারিশমালা
‘বাংলা কিউআর’-এর বৈপ্লবিক সাফল্য ও সুবিধা অক্ষুণ্ন রেখে সার্বিক ডিজিটাল পেমেন্ট ইকোসিস্টেমের সুরক্ষায় একটি সমন্বিত জাতীয় কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা আবশ্যক-
১. অ্যালগরিদমভিত্তিক রিয়েল-টাইম ট্র্যাকিং: কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও ব্যাংকগুলোর ব্যাংকিং আইটি বিভাগে এআই-ভিত্তিক ট্রানজেকশন মনিটরিং চালু করতে হবে। কোনও সাধারণ মুদি বা পানের দোকানে যদি নির্দিষ্ট সময় পরপর একই অঙ্কের গোল ফিগারের (যেমন: ৫,০০০, ১০,০০০ বা ২০,০০০ টাকা) পুনরাবৃত্তিমূলক পেমেন্ট আসতে থাকে, তবে সিস্টেম যেন তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে স্থগিত ও ফ্ল্যাগ করে।
২. অনসাইট ফিল্ড অডিট: মার্চেন্ট অনবোর্ডিংকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিয়মিত সরেজমিন ফিল্ড অডিট চালাতে হবে। কোনও এমএফএস এজেন্ট পয়েন্টে অননুমোদিত মার্চেন্ট কিউআর ঝুলানো থাকলে তা অবিলম্বে সরিয়ে ফেলা নিশ্চিত করতে হবে।
৩. প্রযুক্তিগত পপ-আপ ও গ্রাহক সচেতনতা: ব্যাংকিং ও এমএফএস অ্যাপগুলোতে কিউআর কোড স্ক্যান করার সময় সরাসরি দৃশ্যমান লাল ফন্টে সতর্কবার্তা প্রদর্শন নিশ্চিত করা প্রয়োজন- ‘‘এটি মার্চেন্ট পেমেন্ট কোড, ক্যাশ আউট নয়। এখানে অতিরিক্ত কোনও ফি দেয়া আইনত দণ্ডনীয়।’’
৪. যৌথ রাজস্ব তদারকি: জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের ভ্যাট ট্র্যাকিং সেল এবং সিআইডির ফিন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইউনিটকে যৌথভাবে অনলাইন পেমেন্টের অসঙ্গতি পর্যবেক্ষণ করে ডিজিটাইজড কর ফাঁকি ও ভয়েল পেমেন্ট চক্রের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান দৃষ্টান্তমূলক আইনি ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।
‘বাংলা কিউআর’ স্মার্ট বাংলাদেশ ও আধুনিক ক্যাশলেস অর্থনৈতিক রূপান্তরের অন্যতম মূল স্তম্ভ। কিন্তু নীতিগত তদারকি ব্যবস্থার কঠোর প্রয়োগ এবং মাঠপর্যায়ে নজরদারি নিশ্চিত করা না গেলে এই যুগান্তকারী অর্জন কর ফাঁকি ও ডিজিটাল কালোবাজারির সুযোগ হিসেবে ব্যবহৃত হতে থাকবে।





