বিশ্ববিদ্যালয়ের সেমিস্টার ফি পরিশোধে উপায় ও স্প্লিটপে-এর নতুন উদ্যোগ
ক.বি.ডেস্ক: বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সেমিস্টার ফি পরিশোধ আরও সহজ, সুবিধাজনক ও সাশ্রয়ী করতে স্প্লিটপে-এর সঙ্গে কৌশলগত অংশীদারিত্ব করেছে ইউসিবি ফিনটেক কোম্পানি লিমিটেডের মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) প্রতিষ্ঠান উপায়। স্প্লিটপে হলো কমিউনিটি ব্যাংকের ‘বাই নাও, পে লেটার’ (বিএনপিএল) সেমিস্টার ফি পরিশোধ সেবার প্রযুক্তিগত সুবিধা প্রদানকারী অংশীদার।
শিক্ষার্থীরা প্রাথমিকভাবে উপায়-এর মাধ্যমে বিএনপিএল আবেদন-সংক্রান্ত ফি পরিশোধ করতে পারবেন। একই সঙ্গে কমিউনিটি ব্যাংকের মাধ্যমে সেমিস্টার ফি অর্থায়নের জন্য আবেদন করার সুযোগ পাবেন। ব্যাংকের অনুমোদন সাপেক্ষে যোগ্য শিক্ষার্থীরা বিএনপিএল সুবিধা গ্রহণ করতে পারবেন। এ সুবিধার মাধ্যমে তারা ব্যাংকের অনুমোদিত শর্ত অনুযায়ী এককালীন অর্থ পরিশোধের পরিবর্তে কিস্তিতে সেমিস্টার ফি পরিশোধের সুযোগ পাবেন। চলতি বছরের আগস্টে কমিউনিটি ব্যাংকের সঙ্গে সম্পাদিত চুক্তির ভিত্তিতে স্প্লিটপে এই সেবার প্রযুক্তিগত সুবিধা প্রদানকারী হিসেবে কাজ করছে। এর ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য সেমিস্টার ফি ব্যবস্থাপনায় ডিজিটাল অর্থায়নের একটি নতুন সুযোগ তৈরি হচ্ছে।
রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) ঢাকায় উপায়-এর প্রধান কার্যালয়ে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই অংশীদারিত্ব চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন উপায়-এর হেড অব কর্পোরেট সেলস সাজ্জাদ আলম এবং স্প্লিটপে-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক জুবায়ের মাহমুদ পুলক। চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপায়-এর হেড অব টেকনোলজি মামুন রেজা খান, হেড অব হিউমান রিসোর্সেস অর্পণ কুমার সাহা, হেড অব প্রাইভেট এডুকেশন মো. মুরাদ হাসান; নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির ফ্যাকাল্টি মেম্বার স্যামুয়েল মুরসালিন; ইন্ডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশ-এর আফনান ইউসুফ; স্প্লিটপে-এর ডিরেক্টর মীর মুতাসিম হোসাইন সহ উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।
উপায় ও স্প্লিটপে-এর এই উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের শিক্ষা-সংক্রান্ত ব্যয় ব্যবস্থাপনায় আরও নমনীয়তা তৈরি করবে। বিশেষ করে সেমিস্টার ফি একসঙ্গে পরিশোধের পরিবর্তে যোগ্য শিক্ষার্থীদের কিস্তিতে পরিশোধের সুযোগ থাকায় তাদের আর্থিক ব্যবস্থাপনায় অতিরিক্ত সুবিধা তৈরি হতে পারে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে শিক্ষার্থী ও তাদের পরিবার আর্থিকভাবে আরও বেশি সুবিধা পাবেন, পাশাপাশি শিক্ষা খাতে ডিজিটাল আর্থিক সেবার ব্যবহার ও প্রাপ্যতা আরও বৃদ্ধি পাবে। প্রাথমিকভাবে অংশগ্রহণকারী বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে এ সেবাটি চালু করা হবে। ভবিষ্যতে আরও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এই সুবিধা সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে।





