উদ্যোগ

বিজ্ঞান শিক্ষকদের জন্য অনুষ্ঠিত হবে ‘ন্যাশনাল সেকেন্ডারি স্কুল সায়েন্স টিচার্স কনফারেন্স’

ক.বি.ডেস্ক: দেশের বিজ্ঞান শিক্ষার মানোন্নয়ন, শিক্ষকদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি এবং প্রযুক্তিনির্ভর বিজ্ঞান শিক্ষার প্রসারে এক গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ ফ্রিডম ফাউন্ডেশন (বিএফএফ), ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির (ডিআইইউ) হিউম্যান রিসোর্স ডেভেলপমেন্ট ইনস্টিটিউট (এইচআরডিআই) এবং ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল প্রফেশনাল ট্রেনিং ইনস্টিটিউট (ডিপটি)।

সম্প্রতি রাজধানীর ডিপটি কার্যালয়ে প্রতিষ্ঠানগুলো যৌথভাবে ‘ন্যাশনাল সেকেন্ডারি স্কুল সায়েন্স টিচার্স কনফারেন্স ২০২৬’ আয়োজনের জন্য একটি সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ড্যাফোডিল গ্রুপের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. মোহাম্মদ নুরুজ্জামান। চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন ড্যাফোডিল গ্রুপের ডিপটি ও স্কিলস অ্যান্ড ইকোসিস্টেমসের নির্বাহী পরিচালক ড. কে এম হাসান রিপন, ডিআইইউর এইচআরডিআই-এর সহকারী পরিচালক আমির হামজা এবং বিএফএফ-এর নির্বাহী পরিচালক সাজ্জাদুর রহমান চৌধুরী।

এই যৌথ উদ্যোগের আওতায় ২০২৬ সালে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে প্রায় ১৫০ জন মাধ্যমিক পর্যায়ের বিজ্ঞান শিক্ষককে নিয়ে একটি জাতীয় সম্মেলনের আয়োজন করা হবে। সম্মেলনটি হবে বিজ্ঞান শিক্ষকদের জন্য একটি অনন্য প্ল্যাটফর্ম, যেখানে তারা জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময়, পেশাগত দক্ষতা উন্নয়ন, পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং আধুনিক বিজ্ঞান শিক্ষার নতুন দিগন্ত উন্মোচনের সুযোগ পাবেন।

সম্মেলনে অনুসন্ধানভিত্তিক শিক্ষণ পদ্ধতি, প্রযুক্তিনির্ভর বিজ্ঞান শিক্ষা, ডিজিটাল লার্নিং টুলসের ব্যবহার, বিজ্ঞান ক্লাব কার্যক্রম সম্প্রসারণ, হাতে-কলমে বিজ্ঞান শিক্ষা এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্ভাবনী চিন্তাশক্তি বিকাশের বিভিন্ন কৌশল নিয়ে আলোচনা ও কর্মশালা অনুষ্ঠিত হবে। পাশাপাশি দেশের বিজ্ঞান শিক্ষকদের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতা ও নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার লক্ষ্যে একটি জাতীয় বিজ্ঞান শিক্ষক নেটওয়ার্ক প্রতিষ্ঠার উদ্যোগও গ্রহণ করা হবে।

আয়োজকরা জানান, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিনির্ভর বিশ্বে টিকে থাকতে হলে শিক্ষকদের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং বিজ্ঞান শিক্ষার আধুনিকায়নের কোনও বিকল্প নেই। এই সম্মেলন দেশের বিজ্ঞান শিক্ষকদের নতুন জ্ঞান, দক্ষতা ও দৃষ্টিভঙ্গিতে সমৃদ্ধ করার পাশাপাশি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের উদ্ভাবক, গবেষক এবং সমস্যা সমাধানকারীদের গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। বাংলাদেশের বিজ্ঞান শিক্ষা ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও ভবিষ্যতমুখী করে তুলতে একটি তাৎপর্যপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে এই সম্মেলন বিবেচিত হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।

Related Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *