উদ্যোগ

ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীদের এআই প্রশিক্ষণ দিবে হুয়াওয়ে

ক.বি.ডেস্ক: বিশ্বজুড়ে ক্রমবর্ধমান প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর উদ্ভাবন খাতে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা যাতে নিজেদের দক্ষতা দিয়ে জায়গা করে নিতে পারে, তাই বাংলাদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের এআই প্রশিক্ষণ দিতে যাচ্ছে হুয়াওয়ে। তারই পরিপ্রেক্ষিতে হুয়াওয়ে ও ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটি (ইডব্লিউইউ)- এর মধ্যে একটি সমঝোতা স্বারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। এর ফলে ইডব্লিউইউ-তে হুয়াওয়ে আইসিটি একাডেমি যাত্রা করবে।

এই যৌথ উদ্যোগের আওতায় ইডব্লিউইউ- এর প্রফেসরগণ কোর্স মডিউল, শিক্ষার্থীদের এনরোলমেন্ট এবং তাদের অগ্রগতি তত্ত্বাবধান ও পর্যবেক্ষণ করতে পারবেন। শিক্ষার্থীরা হুয়াওয়ের অনলাইন এআই ট্রেনিং প্রোগ্রামে বিনামূল্যে অংশ নিবে ও নিজেদের সুবিধামতো সেগুলো কোর্সগুলো শেষ করবে। এতে থাকছে বেসিক ম্যাথ, ওভারভিউ অব এআই, ইন্টেলিজেন্ট কালচারাল কম্পিউটিং, এআই প্রিন্সিপালস অ্যান্ড অ্যাপ্লিকেশনস, এআই টেকনোলজি অ্যান্ড অ্যাপ্লিকেশনস এবং এআই প্রসেসর ডেভেলপমেন্ট কোর্স।

সম্প্রতি ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটি (ইডব্লিউইউ)-এর প্রধান ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন হুয়াওয়ে সাউথ এশিয়ার পাবলিক অ্যাফেয়ার্সের ম্যানেজিং ডিরেক্টর মা বেন এবং ইডব্লিউইউ-এর ভারপ্রাপ্ত ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আশিক মোসাদ্দিক। এ সময় ইডব্লিউইউ-এর বিজ্ঞান ও প্রকৌশল অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. আহমেদ ওয়াসিফ রেজা সহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক এবং উভয় প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আশিক মোসাদ্দিক বলেন, “বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় আইসিটি সলিউশন ও ইকুইপমেন্ট প্রোভাইডার হিসেবে হুয়াওয়ে আইসিটি ও এআই ক্ষেত্রে বিশ্বমানের সক্ষমতা নিয়ে কাজ করছে। হুয়াওয়ে আমাদের ক্যাম্পাসে আইসিটি একাডেমি চালু করতে যাচ্ছে, এর মাধ্যমে আমাদের শিক্ষার্থীরা সেরাদের কাছ থেকে এআই বিষয়ে শেখার সুযোগ পাবে। এই সুযোগ ইডব্লিউইউ -এর শিক্ষার্থীদের ফিউচার-রেডি স্কিল গড়ে তুলতে এবং এআই পেশাক্ষেত্রের জন্য প্রস্তুত হতে সহায়তা করবে। বাংলাদেশের তরুণদের প্রযুক্তি-দক্ষতা বৃদ্ধিতে হুয়াওয়ের এই উদ্যোগ একাডেমিক প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য অত্যন্ত অনুপ্রেরণাদায়ক।”

মা বেন বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে মিলে আধুনিক প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা শেখার যথাযথ পরিবেশ ও সুযোগ গড়ে তোলার মাধ্যমে বাংলাদেশের তরুণদের দক্ষতা উন্নয়নে হুয়াওয়ে কাজ করছে। বাংলাদেশের ইনোভেশন ইকোনমি দ্রুত বাড়ছে এবং এর জন্য একটি ইকোসিস্টেম-রেডি জনবল প্রয়োজন। এ কারণেই আমরা ইডব্লিউইউ -এর মতো বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে কাজ করছি। এভাবেই আমরা শিল্প ও শিক্ষাখাত এবং এর সংশ্লিষ্টদের মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করার মাধ্যমে বাংলাদেশের তরুণদের ডিজিটাল ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত করতে চাই। হুয়াওয়ে বাংলাদেশের জন্য কাজ করে চলেছে। হুয়াওয়ে আইসিটি একাডেমি তারই একটি উজ্জীবিত উদাহরণ।”

Related Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *