সফটওয়্যার

তথ্যপ্রযুক্তি খাতে নেটওয়ার্কিং জোরদারে বেসিসের ইফতার আয়োজন

ক.বি.ডেস্ক: দেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতে পারস্পরিক সহযোগিতা ও নেটওয়ার্কিং আরও জোরদার করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস) দোয়া মাহফিল ও ইফতার অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। পবিত্র মাহে রমজানের এই মিলনমেলা আইসিটি শিল্পের অংশীজনদের মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্য, সহযোগিতা ও নেটওয়ার্কিং আরও জোরদার করার একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ তৈরি করেছে।

গতকাল বুধবার (১১ মার্চ) ঢাকার একটি কনভেনশন হলে আয়োজিত দোয়া মাহফিল ও ইফতার অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। বিশেষ অতিথি ছিলেন সিরাজগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য মো. আমিরুল ইসলাম খান এবং দিনাজপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. মনজুরুল ইসলাম।

এ ছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বেসিস ইফতার মাহফিল ২০২৬-এর আহ্ববায়ক এ এইচ এম রোকমুনুর জামান রনি, সহ-আহ্ববায়ক ফেরদোস আলম সহ বেসিস সহায়ক কমিটির সদস্যবৃন্দ, বেসিস সদস্য প্রতিষ্ঠানসমূহের প্রতিনিধিবৃন্দ, তথ্যপ্রযুক্তি খাতের নেতৃবৃন্দ এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্টেকহোল্ডাররা। সভাপতিত্ব করেন বেসিস প্রশাসক আবুল খায়ের মোহাম্মদ হাফিজুল্লাহ্ খান।

মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, “বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জনে তথ্যপ্রযুক্তি খাত একটি গুরুত্বপূর্ণ চালিকাশক্তি। সরকার এই খাতের উন্নয়নে বেসিসের মতো সংগঠনের পাশে থাকবে। কর্মসংস্থান সৃষ্টি, রপ্তানি বৃদ্ধি এবং দেশীয় প্রযুক্তি শিল্পের বিকাশে আইসিটি শিল্প ইতোমধ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। বৈশ্বিক দক্ষ জনশক্তির ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণে বাংলাদেশ সুপ্রস্তুত এবং এ লক্ষ্যে লক্ষ্যভিত্তিক প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়নে বেসিস-এর সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার করা হবে। আগামী দিনে বাংলাদেশ সফটওয়্যার ও আইটি সেবার একটি বৈশ্বিক কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। বেসিস দেশের আইসিটি শিল্পের বিকাশে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে। উদ্ভাবন ও প্রযুক্তিনির্ভর উদ্যোক্তা তৈরিতে সরকার একটি সহায়ক পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”

বেসিস প্রশাসক আবুল খায়ের মোহাম্মদ হাফিজুল্লাহ্ খান বলেন, “বাংলাদেশের আইসিটি খাতকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে বেসিস নিরলসভাবে কাজ করছে। টেকসই উন্নয়নের জন্য শিল্পখাতের সকল অংশীজনের সম্মিলিত প্রচেষ্টা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আজকের এই আয়োজন শুধু পারস্পরিক নেটওয়ার্কিং জোরদার করেনি, বরং আমাদের সদস্যদের জন্য নতুন সহযোগিতা ও ব্যবসায়িক সুযোগ তৈরির একটি কার্যকর প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করেছে।বাংলাদেশের আইসিটি পণ্য ও সেবার বৈশ্বিক চাহিদা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। বেসিস দেশের ডিজিটাল খাতকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আরও প্রতিযোগিতামূলক অবস্থানে নিয়ে যেতে সক্রিয়ভাবে কাজ করে যাচ্ছে।”

Related Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *