মোবাইল স্মার্টফোন

জাইস লেন্স ও সিনেমাটিক ভিডিও ফিচারে ভিভো এক্স৫০০ সিরিজ

ক.বি.ডেস্ক: উন্নত ইমেজিং প্রযুক্তি ও স্মার্টফোন ব্যবহারের নতুন অভিজ্ঞতা দিতে এক্স৫০০ সিরিজ নিয়ে এসেছে ভিভো। সিরিজটিতে রয়েছে তিনটি ফ্ল্যাগশিপ স্মার্টফোন- ভিভো এক্স৫০০ প্রো ম্যাক্স, এক্স৫০০ প্রো ও এক্স৫০০। মোবাইল ফটোগ্রাফি, টেলিফোটো ইমেজিং এবং সিনেমাটিক ভিডিও ধারণের অভিজ্ঞতা আরও উন্নত করতে ফোনগুলোতে যুক্ত করা হয়েছে বিভিন্ন আধুনিক ফিচার।

ভিভো এক্স৫০০ সিরিজের অন্যতম আকর্ষণ জাইস টেলিফোটো লেন্স সিস্টেম। দূরের বিষয়কে কাছ থেকে বিস্তারিতভাবে ধারণ করার পাশাপাশি পোর্ট্রেইট ও বিভিন্ন ধরনের ফটোগ্রাফিতে উন্নত ইমেজিং অভিজ্ঞতা দেয়ার জন্য এই প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। সিরিজের এক্স৫০০ প্রো ম্যাক্সে রয়েছে ২০০ মেগাপিক্সেলের জাইস এপিও টেলিফোটো ক্যামেরা। এর সঙ্গে ৪০০ মিমি ইকুইভ্যালেন্ট ভিভো জাইস টেলিফোটো এক্সটেন্ডার ব্যবহার করে দূরের অবজেক্টও আরও স্পষ্টভাবে ফ্রেমে ধারণ করা সম্ভব।

এক্স৫০০ প্রো মডেলে রয়েছে ৮৫ মিমি ইকুইভ্যালেন্ট জাইস এপিও টেলিফোটো ক্যামেরা এবং ৬৪ মেগাপিক্সেলের সনি লিশিয়া ৬১০ সেন্সর। দৈনন্দিন ব্যবহারের কথা মাথায় রেখে তৈরি এক্স৫০০ মডেলে রয়েছে ৭২ মিমি ইকুইভ্যালেন্ট টেলিফোটো এবং ৫০ মেগাপিক্সেলের আল্ট্রা-সেন্সিং ক্যামেরা।

পোর্ট্রেইট ফটোগ্রাফিতে আগ্রহীদের জন্য সিরিজটিতে রয়েছে সিনেমাটিক পোর্ট্রেইট এবং ভিভো কালার প্যালেট। এর মাধ্যমে ছবি ও ভিডিওতে আরও আলাদা ভিজ্যুয়াল লুক তৈরি করার সুযোগ থাকছে। ফটোগ্রাফির পাশাপাশি ভিডিওগ্রাফিতেও গুরুত্ব দিয়েছে ভিভো। এক্স৫০০ সিরিজে রয়েছে ৪কে ২৪০ এফপিএস হাই ফ্রেম রেট ভিডিও, ৪কে ১২০ এফপিএস প্রো এএফ ট্র্যাকিং এবং ৪কে ডলবি ভিশন পোর্ট্রেট ভিডিও সুবিধা। দ্রুতগতির বিষয় বা চলমান সাবজেক্টের ভিডিও ধারণের ক্ষেত্রে এসব ফিচার কাজে আসতে পারে। পাশাপাশি এক্স-ট্র্যাক ইঞ্জিন ও উন্নত স্ট্যাবিলাইজেশন প্রযুক্তি দ্রুতগতির দৃশ্য ধারণের সময় স্থির ও বিস্তারিত ফুটেজ পেতে সহায়তা করবে।

ক্যামেরা ও হার্ডওয়্যারের পাশাপাশি সফটওয়্যারেও পরিবর্তন আনা হয়েছে। এক্স৫০০ সিরিজে রয়েছে অরিজিনওএস ৭, যা স্মার্টফোন ব্যবহারে আরও মসৃণ অভিজ্ঞতা দেওয়ার জন্য তৈরি করা হয়েছে। এ ছাড়া অ্যাপল ইকোসিস্টেমের বিভিন্ন ডিভাইসের সঙ্গে তথ্য শেয়ারিং এবং একাধিক এআই-ভিত্তিক প্রোডাক্টিভিটি টুল যুক্ত করা হয়েছে। ফলে দৈনন্দিন কাজ, ডিভাইসের মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান ও বিভিন্ন উৎপাদনশীলতার কাজে স্মার্টফোনগুলো আরও কার্যকর হয়ে উঠবে।

পারফরম্যান্সের জন্য এক্স৫০০ প্রো ম্যাক্স ও এক্স৫০০ প্রো মডেলে ব্যবহার করা হয়েছে মিডিয়াটেক ডাইমেনসিটি ৯৬০০ প্রো চিপসেট। অন্যদিকে, এক্স৫০০ মডেলে রয়েছে ডাইমেনসিটি ৯৬০০এম চিপসেট। দীর্ঘ সময় ব্যবহারের জন্য সিরিজটিতে দেয়া হয়েছে এক্স-সিরিজের অন্যতম বড় ব্যাটারি। মডেলভেদে ব্যাটারির সক্ষমতা সর্বোচ্চ ৭৮০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার-আওয়ার পর্যন্ত। এর সঙ্গে রয়েছে ৯০ ওয়াট ওয়্যারড এবং ৪০ ওয়াট ওয়্যারলেস ফ্ল্যাশচার্জ সুবিধা।

ডিজাইনের ক্ষেত্রেও এক্স৫০০ সিরিজে প্রিমিয়াম লুকের ওপর গুরুত্ব দিয়েছে ভিভো। এতে রয়েছে জাইস মাস্টার কালার ডিসপ্লে এবং পানি ও ধুলা থেকে সুরক্ষার জন্য আইপি৬৮/আইপি৬৯ রেটিং। ফলে উন্নত ক্যামেরা ও পারফরম্যান্সের পাশাপাশি দৈনন্দিন ব্যবহারে স্থায়িত্বের দিকটিও বিবেচনায় রাখা হয়েছে। তবে দেশ বা বাজারভেদে ডিভাইসগুলোর রঙ, স্টোরেজ কনফিগারেশন এবং কিছু ফিচারে পার্থক্য থাকতে পারে।

Related Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *