২১তম বিডিনগ সম্মেলন: ইন্টারনেট নীতিতে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত বিটিআরসির
ক.বি.ডেস্ক: ২১তম বাংলাদেশ নেটওয়ার্ক অপারেটরস গ্রুপ (বিডিনগ)-এর সম্মেলনের সমাপনী অনুষ্ঠানে দেশের ইন্টারনেট খাতে বড় ধরনের নীতিগত পরিবর্তনের আভাস দিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। স্যাটেলাইটভিত্তিক ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান স্টারলিংককে নন-ফিল্টারড ডেটা সুবিধা দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে বিটিআরসি। সরকারি ওয়েবসাইট ও ই-টেন্ডারিং ব্যবস্থায় আইপিভি-৬ বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরে বিটিআরসি
গতকাল শনিবার (৯ মে) রাজধানীর একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ নেটওয়ার্ক অপারেটরস গ্রুপ (বিডিনগ)- এর ২১তম সম্মেলনের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বিটিআরসি চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এমদাদ উল বারী এ তথ্য জানান।
বিডিনগ- এর ২১তম সম্মেলনের সমাপনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশেষ অতিথি বিটিআরসির মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শফিউল আলম পারভেজ। স্বাগত বক্তব্য দেন বিডিনগের সাধারণ সম্পাদক বরকতুল আলম বিপ্লব। বক্তব্য রাখেন বিপিসির পরিচালক রাজ্জাকুল ইসলাম, আইএসপিএবি সভাপতি আমিনুল হাকিম এবং আইএসপিএবি মহাসচিব নাজমুল করিম ভূঁইয়া।
বিটিআরসি চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এমদাদ উল বারী, “ভবিষ্যৎ ইন্টারনেট অবকাঠামো, লাইসেন্স নীতি এবং নেটওয়ার্ক ব্যবস্থাপনায় পরিবর্তন আসছে। প্রযুক্তিনির্ভর নতুন বাস্তবতায় নেটওয়ার্ক অবকাঠামো এখন কেবল সংযোগের বিষয় নয়, এটি আলাদা একটি ডিজিটাল জগত তৈরি করছে। তবে নতুন বাস্তবতার সঙ্গে খাপ খাওয়াতে নীতিমালায় পরিবর্তনের প্রয়োজন হলেও সব ধরনের লাইসেন্স বাধা এখনই তুলে দেয়া সম্ভব নয়। আমরা চাই এই খাতের সবাই ন্যায্য সুযোগ পাক। সমন্বয় ও সহযোগিতার মাধ্যমেই এই খাতকে এগিয়ে নিতে হবে। খাতসংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের নিয়ে দ্রুত একটি সমন্বয় কমিটি গঠন করা হবে।”
বিপিসির পরিচালক রাজ্জাকুল ইসলাম বলেন, “দেশের আইএসপি খাতের ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা নির্ধারণে জরিপ ও গবেষণায় সরকার সহযোগিতা করবে। পাশাপাশি ডেটা উন্মুক্ত করার ক্ষেত্রে নিরাপত্তা সক্ষমতা বাড়ানোর ওপরও জোর দিতে হবে।”
আইএসপিএবি সভাপতি আমিনুল হাকিম নেপালে অনুষ্ঠিতব্য স্যানগের (সাউথ এশিয়ান নেটওয়ার্ক অপারেটর্স গ্রুপ) ৪৪তম সম্মেলনে অংশ নিতে আগামী ১৫ মে’র মধ্যে ফেলোশিপের জন্য আবেদন করতে আহ্বান জানান।
আইএসপিএবি মহাসচিব নাজমুল করিম ভূঁইয়া বলেন, “আমরা আশা করেছিলাম, বিটিআরসি চেয়ারম্যান এমন একটি নীতিমালার রূপরেখা তুলে ধরবেন, যা অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি ভবিষ্যৎ উপযোগী দক্ষ প্রকৌশলী গড়ে তুলতে সহায়ক হবে। আগামীতে আমরা তেমনটা পাবো বলে আশা রাখি।”





