উদ্যোগ

সেমিকন্ডাক্টর টেস্টিংয়ে স্নাতকদের প্রশিক্ষণ দেবে বিএসআইএ-সিসিপ

ক.বি.ডেস্ক: বাংলাদেশ সেমিকন্ডাক্টর ইন্ডাস্ট্রি অ্যাসোসিয়েশন (বিএসআইএ), স্কিলস ফর ইন্ডাস্ট্রি কমিপিটিটিভনেস অ্যান্ড ইনোভেশন প্রোগ্রাম (সিসিপ)-এর আওতায় সেমিকন্ডাক্টর টেস্টিং প্রশিক্ষণ কোর্স চালু করা হয়েছে। তিন মাসব্যাপী এ প্রশিক্ষণে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের মোট ২৫ জন গ্র্যাজুয়েট অংশগ্রহণ করছেন। এর মূল লক্ষ্য তরুণ গ্র্যাজুয়েটদের সেমিকন্ডাক্টর টেস্টিং বিষয়ে শিল্পখাতের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ জ্ঞান ও ব্যবহারিক দক্ষতায় সমৃদ্ধ করা এবং দেশে ও বিদেশে কর্মসংস্থান ও ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগের জন্য তাদের প্রস্তুত করা।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) ঢাকার এআইইউবি বনানী ক্যাম্পাসে সেমিকন্ডাক্টর টেস্টিং প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সিসিপ-এর ডিইপিডি (ফান্ড ম্যানেজমেন্ট) মাইনুল হাসান, এইপিডি (প্রোগ্রাম ম্যানেজমেন্ট) মোহাম্মদ আফজাল হোসাইন; আইটেস্ট বাংলাদেশ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুনির আহমেদ; ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. হাসান উজ জামান। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন বিএসআইএ-র সভাপতি এম এ জব্বার। স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিএসআইএ-সিসিপ পিআইইউ-এর চিফ কো-অর্ডিনেটর রাশিদুল হাসান

মাইনুল হাসান বলেন, “সেমিকন্ডাক্টর খাতে দেশে ও বিদেশে উল্লেখযোগ্য কর্মসংস্থান ও ক্যারিয়ারের সুযোগ রয়েছে। সিসিপি-এর আওতায় আপনাদের দক্ষতা উন্নয়নে সরকার সরকারি অর্থ বিনিয়োগ করছে। তাই এই সুযোগের সর্বোচ্চ সদ্ব্যবহার করে সফল ক্যারিয়ারের জন্য নিজেদের প্রস্তুত করতে হবে।’’

এম এ জব্বার বলেন, “আপনাদের মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনা করতে হবে, বিশ্বব্যাপী সেমিকন্ডাক্টর শিল্প কীভাবে বিকশিত হচ্ছে তা জানতে হবে এবং নিজেদের দক্ষতা বাড়াতে কঠোর পরিশ্রম করতে হবে। যথাযথ দক্ষতা ও নিষ্ঠা থাকলে চাকরি ও উদ্যোক্তা উভয় ক্ষেত্রেই আপনারা সুযোগ তৈরি করতে পারবেন।’’

অনুষ্ঠানে বিএসআইএ-র আওতায় সেমিকন্ডাক্টর টেস্টিং প্রশিক্ষণ কোর্স পরিচালনার লক্ষ্যে আইটেস্ট বাংলাদেশ-এর মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন বিএসআইএ-এর সভাপতি এম এ জব্বার এবং আইটেস্ট বাংলাদেশের পরিচালক জনাব মুনির আহমেদ।

বিএসআইএ-সিসিপ কর্মসূচির আওতায় আগামী দুই বছরে সেমিকন্ডাক্টর প্রযুক্তির ৭টি বিশেষায়িত বিষয়ে মোট ৩,৫০০ জন তরুণ বিশ্ববিদ্যালয় গ্র্যাজুয়েটকে প্রশিক্ষণ প্রদানের পরিকল্পনা রয়েছে। এ প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তাদের শিল্পখাতের চাহিদা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় জ্ঞান ও ব্যবহারিক দক্ষতায় সমৃদ্ধ করে দেশ ও বিদেশে কর্মসংস্থানের উপযোগী দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তোলা হবে।

Related Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *