১৩ জুন অনুষ্ঠিত হবে ‘এনএইচএসপিসি ২০২৬’-এর চূড়ান্ত পর্ব
ক.বি.ডেস্ক: আগামী ১৩ জুন ‘জাতীয় হাইস্কুল প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা (এনএইচএসপিসি ) ২০২৬’- এর চূড়ান্ত পর্ব আগারগাঁওয়ের জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি কমপ্লেক্সে অনুষ্ঠিত হবে। আইসিটি বিভাগের উদ্যোগে এবং বাংলাদেশ কমপিউটার কাউন্সিল (বিসিসি)-এর আয়োজনে অনুষ্ঠিতব্য এই প্রতিযোগিতায় কুইজ ও প্রোগ্রামিং মিলিয়ে পাঁচটি ক্যাটাগরিতে মোট ৮৩২ জন প্রতিযোগী জাতীয় পর্যায়ের চূড়ান্ত পর্বে অংশগ্রহণের সুযোগ অর্জন করেছে।
আজ বৃহস্পতিবার (১১ জুন) রাজধানীর আগারগাঁওস্থ বিসিসির অডিটোরিয়ামে সাংবাদিক সম্মেলনের মাধ্যমে ‘এনএইচএসপিসি ২০২৬’-এর প্রতিযোগিতার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন আইসিটি বিভাগের ভারপ্রাপ্ত সচিব মো. মামুনুর রশীদ ভূঁইয়া।
সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন আইসিটি বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ আনোয়ার উদ্দিন, যুগ্ম সচিব মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, বিসিসির নির্বাহী পরিচালক এ টি এম জিয়াউল ইসলাম, পরিচালক (প্রশিক্ষণ ও উন্নয়ন) মো. জফরুল আলম খান সহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ।
মো. মামুনুর রশীদ ভূঁইয়া বলেন, “এই প্রতিযোগিতা শুধু একটি প্রতিযোগিতা নয়; এটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে প্রযুক্তিনির্ভর বিশ্বে নেতৃত্ব দেয়ার জন্য প্রস্তুত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ। ২০১৫ সালে শুরু হওয়া এ প্রতিযোগিতা আজ দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের কাছেও পৌঁছে গেছে এবং তাদের মধ্যে প্রোগ্রামিং, সমস্যা সমাধান ও উদ্ভাবনী চিন্তার বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। আমরা অনেক সময় প্রোগ্রামিংকে শুধু কোড লেখা হিসেবে দেখি। কিন্তু বাস্তবে প্রতিটি কোডের পেছনে থাকে একটি সমস্যা সমাধানের লক্ষ্য। আজকের শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনের উদ্ভাবক, উদ্যোক্তা এবং নীতিনির্ধারক। তাই প্রযুক্তি ও প্রোগ্রামিংভিত্তিক দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে তাদেরকে চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সক্ষম করে তুলতে হবে।’’
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্বের প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা বাংলাদেশ-কোরিয়া ইনস্টিটিউট অব ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি (বিকেআইআইসিটি), বিসিসি এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্যপ্রযুক্তি ইনস্টিটিউটে অনুষ্ঠিত হবে। কুইজ প্রতিযোগিতা, সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি কমপ্লেক্স ভবন, আগারগাঁওয়ে।
বক্তারা আশা প্রকাশ করেন, জাতীয় হাইস্কুল প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি উদ্ভাবনী ও সমস্যা সমাধানমুখী প্রজন্ম গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব আরও শক্তিশালী করবে।





