অপো ফটোগ্রাফি কনটেস্ট ২০২৬, গ্র্যান্ড ফিনালেতে ২৩ হাজারের বেশি সাবমিশন
ক.বি.ডেস্ক: ‘‘ওয়ার্ল্ড ফটোগ্রাফি ডে’’ উপলক্ষে ‘এভরি ফটো টেলস আ স্টোরি’ শীর্ষক অপো রেনো১৫ সিরিজ ফাইভজি প্রেজেন্টস অপো ফটোগ্রাফি কনটেস্ট ২০২৬ গ্র্যান্ড ফিনালে পর্যায়ে পৌঁছেছে। সারাদেশ থেকে প্রতিযোগিতাটিতে রেকর্ড ২৩ হাজারেরও বেশি ছবি জমা পড়েছে। তরুণ প্রজন্মের মধ্যে স্মার্টফোন ফটোগ্রাফির ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তা ও সৃজনশীলতার প্রতিফলন ঘটেছে এই প্রতিযোগিতায়।
অপো জানায়, ফটোগ্রাফিকে আরও সহজলভ্য করতে দীর্ঘদিন ধরেই ইমেজিং প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করছে প্রতিষ্ঠানটি। সেলফি প্রযুক্তি, এআই-সক্ষম ইমেজিং, পোর্ট্রেইট ও নাইট ফটোগ্রাফি সহ বিভিন্ন প্রযুক্তির মাধ্যমে সাধারণ ব্যবহারকারীদের জন্য স্মার্টফোন ফটোগ্রাফির অভিজ্ঞতা উন্নত করার চেষ্টা করছে ব্র্যান্ডটি। এখন গ্র্যান্ড ফিনালের অপেক্ষা ২৩ হাজারেরও বেশি ছবির মধ্য থেকে শেষ পর্যন্ত কোন গল্পটি সেরার স্বীকৃতি পায়।
বাংলাদেশে এই উদ্যোগটি আয়োজন করা হয়েছে দেশের অন্যতম ফটোগ্রাফি ও ভিজ্যুয়াল আর্টস প্রতিষ্ঠান পাঠশালা সাউথ এশিয়ান মিডিয়া ইনস্টিটিউটের সঙ্গে অংশীদারত্বে। ঢাকার ব্যস্ত রাস্তার মুহূর্ত, প্রকৃতির সৌন্দর্য, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য, পোর্ট্রেইট কিংবা কম আলোয় ধারণ করা দৃশ্য বিভিন্ন বিষয় ও দৃষ্টিভঙ্গির ছবি জমা দিয়েছেন অংশগ্রহণকারীরা। প্রতিযোগিতায় স্মার্টফোনে তোলা ছবি পাঁচটি ক্যাটাগরিতে জমা দেয়ার সুযোগ ছিল। ক্যাটাগরিগুলো হলো পোর্ট্রেইট, নেচার অ্যান্ড ওয়াইল্ডলাইফ, স্ট্রিট অ্যান্ড আর্কিটেকচার, লো লাইট এবং হেরিটেজ অ্যান্ড কালচার।
প্রতিযোগিতার গ্র্যান্ড উইনার পাবেন ১ লাখ টাকা নগদ পুরস্কার, একটি অপো ফ্ল্যাগশিপ স্মার্টফোন এবং পাঠশালা সাউথ এশিয়ান মিডিয়া ইনস্টিটিউটের ফটোগ্রাফি কোর্স। এলিট উইনার পাবেন ৫০ হাজার টাকা, একটি অপো স্মার্টফোন ও ফটোগ্রাফি কোর্স। মাস্টার উইনারের জন্য থাকছে ৩০ হাজার টাকা, একটি অপো স্মার্টফোন ও ফটোগ্রাফি কোর্স। এ ছাড়া প্রতিটি ক্যাটাগরির বিজয়ী পাবেন ২০ হাজার টাকা, একটি অপো স্মার্টফোন এবং পাঠশালার ফটোগ্রাফি কোর্স।
আয়োজকদের মতে, এই প্রতিযোগিতার লক্ষ্য শুধু বিজয়ী নির্বাচন নয়; বরং স্মার্টফোন প্রযুক্তি, পেশাদার ফটোগ্রাফি প্রতিষ্ঠান এবং উদীয়মান ফটোগ্রাফারদের এক প্ল্যাটফর্মে নিয়ে আসা। এর মাধ্যমে নতুন প্রজন্মের ভিজ্যুয়াল স্টোরিটেলারদের স্বীকৃতি ও শেখার সুযোগ তৈরি হবে। ফটোগ্রাফি এখন আর শুধু পেশাদার ক্যামেরা বা স্টুডিওনির্ভর নয়। একটি স্মার্টফোন, সৃজনশীল দৃষ্টিভঙ্গি এবং গল্প বলার সক্ষমতাই এখন একটি ছবিকে বিশেষ করে তুলতে পারে।





