অনুমোদনহীন এআই শনাক্তে সফোসের নতুন পরিষেবা, কমবে তথ্য ফাঁসের ঝুঁকি
ক.বি.ডেস্ক: সাইবার নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান সফোস আজ তাদের নতুন পরিষেবা সফোস এআই ডিফেন্স চালু করেছে। এই পরিষেবাটি বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশনে এআই টুল শনাক্ত করে। এমনকি প্রতিষ্ঠানে অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা টুলও এর নজরে আসে। কোনও প্রতিষ্ঠানের আওতার বাইরে এআই টুল তথ্যের গোপনীয়তার ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। তাই এসব টুলের ব্যবহার প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তানীতি অনুযায়ী হচ্ছে কি না, সেটিও এই পরিষেবাটি নিশ্চিত করে।
সফোস ফিউশন পরিষেবার মাধ্যমে ডিভাইস, নেটওয়ার্ক, সাইন-ইন ও ব্রাউজারের নিরাপত্তাব্যবস্থাগুলোকে একসঙ্গে যুক্ত করা হয়। ফলে আলাদা কোনও নতুন নিরাপত্তা টুল পরিচালনার বাড়তি ঝামেলা ছাড়াই আরও নিরাপদে এআই ব্যবহার করা যাবে।
অন্যদিকে, সাইবার অপরাধীরা বিভিন্ন কাজে এআই ব্যবহার করছে। চলতি বছর সফোস এক্স-অপস এক হামলাকারীকে শনাক্ত করেছে, যে প্রতিষ্ঠানের নেটওয়ার্কে এআই এজেন্ট ব্যবহার করে প্রায় ৮০টি ম্যালওয়্যার মডিউল তৈরি ও পরীক্ষা করেছে। সাইবার অপরাধীদের মধ্যে উন্নত এআই মডেল ব্যবহারের জন্য এপিআই কী কেনাবেচা, অনলাইন ফোরামে নিরাপত্তাব্যবস্থা এড়িয়ে যাওয়ার কৌশল বিনিময় এবং এআই প্রম্পট তৈরিতে দক্ষ ব্যক্তিদের নিয়োগের চেষ্টাও দেখা গেছে।
বেশির ভাগ প্রতিষ্ঠানে এখন অনুমোদন ছাড়া এআই টুল ব্যবহার করা হচ্ছে। ৬৯ শতাংশ প্রতিষ্ঠান মনে করে, তাদের কর্মীরা অনুমতি ছাড়াই এআই এজেন্ট ও টুল ব্যবহার করছেন। গত এক বছরে ৮২ শতাংশ প্রতিষ্ঠান তাদের ব্যবস্থায় অনুমোদনহীন এআই এজেন্ট খুঁজে পেয়েছে।
এদিকে, ৯০ শতাংশ আইটি লিডারস এ ধরনের এআই ব্যবহারের ঝুঁকি নিয়ে উদ্বিগ্ন। ইন্টারন্যাশনাল ডেটা করপোরেশন (আইডিসি) বলছে , ২০২৮ সালের মধ্যে বিশ্বজুড়ে এআই এজেন্টের সংখ্যা ১৩০ কোটিতে পৌঁছাতে পারে। ফলে ভবিষ্যতে এই ঝুঁকি আরও বাড়তে পারে।
প্রতিটি এআই এজেন্ট ও টুল সাইবার হামলা এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ফাঁসের ঝুঁকি বাড়ায়। সফোস এআই ডিফেন্স ডিভাইস, নেটওয়ার্ক, পরিচয় ও ব্রাউজার থেকে তথ্য নিয়ে এআই এর ব্যবহার বিশ্লেষণ করে। এটি এআইতে দেয়া প্রম্পট, ফাইল আপলোড ও অন্যান্য কার্যক্রম তাৎক্ষণিকভাবে পরীক্ষা করে তথ্য ফাঁসের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। সাইবার নিরাপত্তা সচেতনতা মাসে চালু হওয়া সফোস এআই ডিফেন্স এখন সবাই ব্যবহার করতে পারবে।





