বাংলাদেশে ব্যবসায়ীক কার্যক্রম শুরু করল হোস্টিং ডটকম
ক.বি.ডেস্ক: বিশ্বখ্যাত হোস্টিং সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান ‘হোস্টিং ডটকম’ (hosting.com) বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে ব্যবসায়িক কার্যক্রম শুরু করেছে। বাংলা ভাষায় কাস্টমার সেবা প্রদান, স্থানীয় কারেন্সিতে মূল্য পরিশোধ ও সাশ্রয়ী মূল্যে হোস্টিং সেবা নিশ্চিত করবে প্রতিষ্ঠানটি। হোস্টিং ডটকমের অবকাঠামোয় ৩০ লাখের বেশি ওয়েবসাইট সক্রিয়, প্রতি ১৫ সেকেন্ডে নতুন একটি ওয়েবসাইট যুক্ত হচ্ছে এবং বিশ্বের ২০টির বেশি ডেটা সেন্টার ও এক হাজারের বেশি এক্সপার্টের সমন্বয়ে দ্রুত, স্থিতিশীল ও নিরবচ্ছিন্ন সেবা নিশ্চিত করছে।
গতকাল বুধবার (১৪ জানুয়ারি) রাজধানীর একটি স্থানীয় হোটেলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ‘হোস্টিং ডটকম’ এর কার্যক্রম উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিশেষ অতিথি আইসিটি সচিব শীষ হায়দার চৌধুরী। উপস্থিত ছিলেন হোস্টিং ডটকমের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সেব দে লেমোস, অপারেশন ম্যানেজার ইমরান হোসেন সহ স্থানীয় প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ ও ইন্ডাস্ট্রি প্রতিনিধিবৃন্দ।
ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেন, ‘‘বাংলাদেশে হোস্টিং ডটকমের কার্যক্রম শুরু হওয়ার ফলে সার্ভার অবকাঠামো, ক্লাউডভিত্তিক সমাধান, এআই প্রযুক্তি, সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন এবং ডোমেইন ব্যবসা সহ বিভিন্ন ডিজিটাল সেবা নতুন গতি পাবে। এতে বাজারে প্রতিযোগিতা বাড়বে, মানসম্মত সেবার বিস্তার ঘটবে এবং ব্যবহারকারীদের জন্য ইতিবাচক অভিজ্ঞতা ও নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে যাবে। এটি একটি শক্তিশালী নতুন ইকোসিস্টেম গড়ে তুলবে, যা নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে, দক্ষতা উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করবে এবং দেশে জ্ঞান ও প্রযুক্তিনির্ভর উদ্ভাবনের পরিসরকে আরও বিস্তৃত করবে।’’

সেব দে লেমোস বলেন, ‘‘মূল্য ও প্যাকেজ নিয়ে আমরা প্রচুর ফিডব্যাক পেয়েছি এবং বিষয়টি আমরা অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছি। খুব শিগগিরই বাংলাদেশি গ্রাহকদের জন্য মূল্য ও প্যাকেজের ক্ষেত্রে বিশেষ কিছু উদ্যোগ নেয়া হবে। প্রতিটি দেশের নিজস্ব সংস্কৃতি ও চাহিদা থাকে, সেটিও আমরা মাথায় রেখেছি।’’
ইমরান হোসেন বলেন, ‘‘হোস্টিং ডটকমের বৈশ্বিক মানের হোস্টিং ও ডেটা অবকাঠামো বাংলাদেশি উদ্যোক্তা, স্টার্টআপ এবং ডিজিটাল ব্যবসার জন্য নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মুক্ত করবে। এর ফলে স্থানীয় প্রযুক্তি ইকোসিস্টেম আরও শক্তিশালী হবে, নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে এবং বাংলাদেশকে একটি আঞ্চলিক ডিজিটাল হাব হিসেবে গড়ে তোলার পথে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।





