উদ্যোগ

জিইএন ও ডিআইইউ-এর উদ্যোগে ‘ইয়ুুথ এমপ্লায়্যাবিলিটি সামিট ২০২৬’

ক.বি.ডেস্ক: শিক্ষিত তরুণদের প্রথাগত ডিগ্রিও মোহ থেকে বেরিয়ে এসে বাস্তবমুখী দক্ষতায় সমৃদ্ধ হওয়ার আহবানের মধ্য দিয়ে ‘দক্ষতাই ভবিষ্যৎ’ স্লোগানে অনুষ্ঠিত হয় ‘‘ইয়ুুথ এমপ্লায়্যাবিলিটি সামিট ২০২৬’’। এই সম্মেলনে দেশের কয়েকশ শিক্ষার্থী, চাকরিপ্রার্থী এবং তরুণ পেশাজীবীরা অংশগ্রহণ করেন। গ্লোবাল এন্টারপ্রেনারশিপ নেটওয়ার্ক (জিইএন) বাংলাদেশ এবং ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (ডিআইইউ)-এর যৌথ উদ্যোগে এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

আজ রবিবার (১২ এপ্রিল) রাজধানীর ড্যাফোডিল প্লাজার ৭১ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ‘ইয়ুুথ এমপ্লায়্যাবিলিটি সামিট ২০২৬’-এ প্রধান অতিথি ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। সভাপতিত্ব করেন ডিআইইউ’র চেয়ারম্যান ড. মো. সবুর খান। মূল প্রবন্ধ উপস্থপ করেন ড্যাফোডিল গ্রুপের প্রধান নির্বাহী কমকর্তা ড. মোহাম্মদ নুরুজ্জামান এবং স্বাগত বক্তব্য রাখেন জিইএন বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. কে এম হাসান রিপন।

প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেন, “দক্ষ বাংলাদেশ গড়তে হলে আমাদের তরুণদের কেবল সার্টিফিকেটধারী হলে চলবে না, তাদের বৈশ্বিক বাজারের উপযোগী কারিগরি ও ব্যবহারিক দক্ষতায় দক্ষ হতে হবে। এই সম্মেলন তরুণদের মাঝে সেই ‘ডুআর মেন্টালিটি’ বা কর্মমুখী মানসিকতা তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”

ড. মো. সবুর খান বলেন, “চাকরি খোঁজার মানসিকতা বদলে দক্ষ জনসম্পদ হিসেবে নিজেকে গ্লোবাল প্যাটফর্মে উপস্থাপন করাই এখনকার মূল চ্যালেঞ্জ। ড্যাফোডিল পরিবার সব সময় তরুণদের এই রূপান্তরের সহযাত্রী হিসেবে কাজ করছে।”

ড. মোহাম্মদ নুরুজ্জামান, তরুনদের যুগোপযোগী দক্ষতা অর্জনের গুরুত্ব দেওয়ার আহবান জানান।

ড. কে এম হাসান রিপন বলেন, “আজকের এই সম্মেলন প্রমাণ করেছে আমাদের তরুণরা দক্ষ হতে চায়। তাদের সঠিক দিকনির্দেশনা দিতে পারলে তারা কেবল বাংলাদেশের নয়, বরং বিশ্ব অর্থনীতির চালিকাশক্তিতে পরিণত হবে।”

এবারের সম্মেলনের মূল অর্জনসমূহ:
ইনোভেশন শোকেস: সম্মেলনে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিভিন্ন পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীদের তৈরি অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনী প্রকল্প প্রদর্শিত হয়।
গ্লোবাল পলিসি ডায়ালগ: বিশ্বব্যাংকের সাবেক উর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-ও চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উপদেষ্টা ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার। তার সেশনে বিশ্ব শ্রমবাজারের অস্থিরতা মোকাবিলায় বাংলাদেশি তরুণদের জন্য করণীয় এবং ভবিষ্যতের কর্মসংস্থানের রূপরেখা তুলে ধরেন।
ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া সেতুবন্ধন: এই সম্মেলনে বক্তারা পাঠ্যক্রমের সঙ্গে শিল্পের চাহিদার সমন্বয় ঘটানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন। অংশগ্রহণকারীরা দেশের শীর্ষস্থানীয় করপোরেট লিডারদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময় করেন।

সম্মেলনটি দিপ্তী, বিএসডিআই, স্কিল ডট জবস এবং ড্যাফোডিল জাপান আইটি-সহ বিভিন্ন সহযোগী প্রতিষ্ঠানের সহায়তায় অনুষ্ঠিত হয়।

Related Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *