এনএসইউ উৎসবে তারুণ্য ও প্রযুক্তির অংশীদার ভিভো
ক.বি.ডেস্ক: ভিভোর টাইটেল স্পন্সরশিপে এনএসইউ সরস্বতী পূজা ২০২৬ সম্পন্ন হয়েছে। শিক্ষা, সংস্কৃতি, তারুণ্য ও প্রযুক্তির সমন্বয়ে এই আয়োজন পেয়েছে আলাদা পরিচয়। বিদ্যা, সংগীত, শিল্প ও সংস্কৃতির দেবী সরস্বতীর প্রতি উৎসর্গিত এই উৎসবে ভিভোর উপস্থিতি তারুণ্যের সঙ্গে একটি অর্থবহ সংযোগ তৈরি করেছে। যেখানে অনুভূতি পেয়েছে নতুন ভাষা।
এনএসইউ সরস্বতী পূজা ২০২৬ জুড়ে ছিল ভিভোর বিভিন্ন অন-গ্রাউন্ড অ্যাক্টিভেশন ও ইন্টারঅ্যাক্টিভ আয়োজন। যেখানে শিক্ষার্থী ও সাধারণ দর্শকরা সমানভাবে অংশ নিতে পেরেছেন। শিক্ষার্থীসহ সবার জন্য উন্মুক্ত এই আয়োজন ভিভোর এনগেজমেন্টকে আরও বিস্তৃত করেছে।
পুরো আয়োজন জুড়ে ভিভোর উপস্থিতি উৎসবের আনন্দকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলেছে। ছিল গেম জোন, ফটো এক্সিবিশন ও ফটো বুথসহ বিভিন্ন সৃজনশীল কার্যক্রম। যা শিক্ষার্থী ও দর্শনার্থীদের মধ্যে উৎসবের আবেগ এবং সৃজনশীলতার প্রতিফলন ঘটিয়েছে। ডার্ট গেম, স্মরণীয় উপহার এবং ইন্টারঅ্যাক্টিভ কার্যক্রমগুলোর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা শুধু আনন্দে অংশগ্রহণ করেনি, বরং তাদের সৃজনশীল প্রকাশের নতুন সুযোগও সৃষ্টি হয়েছে।
এ আয়োজন জুড়ে ছিলো ভিভোর স্টল ও এক্সপেরিয়েন্স জোন। যেখানে আগত দর্শকরা সরাসরি ভিভোর স্মার্টফোন ফিচার ব্যবহার করে দেখার সুযোগ পেয়েছেন। যার মধ্যে ভিভো এক্স৩০০ প্রো মডেলের উন্নত ক্যামেরা ও পারফরম্যান্স দেখে অবাক হয়েছেন অনেকেই। নতুন এই ফোনটি শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা প্রকাশে উদ্দীপনা দিয়েছে এবং তরুণদের মধ্যে নতুন আগ্রহ জাগিয়েছে।
ভিভো এনএসইউ সরস্বতী পূজা ২০২৬-কে কেবল একটি উৎসব হিসেবে দেখেনি; বরং তারুণ্য, সৃজনশীলতা ও প্রযুক্তির সংযোগ তৈরির একটি কৌশলগত প্ল্যাটফর্ম হিসেবে নিয়েছে। সেই দৃষ্টিভঙ্গির বাস্তব প্রতিফলনেই এই আয়োজন শেষ হয়েছে এমন এক অভিজ্ঞতায়, যেখানে ভিভোর উপস্থিতি ছিল স্বাভাবিক ও অর্থবহ।





