ডিজিটাল রূপান্তরের পথে বাংলাদেশ: কেন পিছিয়ে আমাদের ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলো

আশরাফ সাহেবের গল্প
আশরাফ সাহেব, একজন ৪০ বছর বয়সী ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী। পৈত্রিক সূত্রে পাওয়া হাতে তৈরি নকশিকাঁথার ব্যবসাটি তিনি এখনও ধরে রেখেছেন। কিন্তু আধুনিক যুগে এসে তার ব্যবসা আর আগের মতো নেই। বাজারে নিত্যনতুন চ্যালেঞ্জ, কমে যাচ্ছে ক্রেতা। অথচ পাশের গ্রামের একজন তরুণী তার হাতের কাজগুলো একটি ফেসবুক পেজে বিক্রি করে এখন অনেক সফল। আশরাফ সাহেব জানেন, তাকেও ডিজিটাল হতে হবে, কিন্তু কোথা থেকে শুরু করবেন, তা তিনি জানেন না। তার কাছে স্মার্টফোন আছে, কিন্তু অনলাইন ব্যবসার জটিলতা তার কাছে এক রহস্য। এই গল্পটি কেবল আশরাফ সাহেবের একার নয়, এটি বাংলাদেশের হাজারও ছোট ও মাঝারি ব্যবসায়ীর বাস্তব চিত্র।
স্মার্ট বাংলাদেশ-এর স্বপ্ন যেখানে প্রযুক্তিনির্ভর এক উন্নত অর্থনীতির প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে, সেখানে আমাদের ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলো এখনও ডিজিটাল রূপান্তরের দৌড়ে পিছিয়ে আছে। এটি কেবল অবকাঠামোগত দুর্বলতা নয়, বরং এক জটিল অর্থনৈতিক, নীতিগত এবং সামাজিক সমস্যার প্রতিফলন। এই প্রবন্ধে, আমরা সেসব মূল কারণগুলো বিশ্লেষণ করব যা আমাদের অগ্রগতিকে বাধাগ্রস্ত করছে। পাশাপাশি, একটি পরিপূর্ণ ডিজিটাল ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার জন্য কিছু কার্যকর কৌশল নিয়ে আলোচনা করব, যা দেশের অর্থনীতিতে নতুন প্রাণের সঞ্চার করতে পারে। লিখেছেন- মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক মৃধা (সোহেল মৃধা)
বর্তমান বাস্তবতা: আশার বিপরীতে হতাশাজনক চিত্র
বিশ্বব্যাংকের ‘ডিজিটাল অগ্রগতি ও প্রবণতা প্রতিবেদন ২০২৩’ অনুযায়ী, ডিজিটাল প্রযুক্তি গ্রহণে বাংলাদেশের অবস্থান তার সমকক্ষ দেশগুলোর তুলনায় অনেক দুর্বল। যেখানে ব্রাজিল, ভারত এবং ভিয়েতনামের মতো দেশে প্রায় সব ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে কমপিউটার ও ইন্টারনেট ব্যবহার নিয়মিত কার্যক্রমের অংশ, সেখানে বাংলাদেশের মাত্র ৪৬ শতাংশ প্রতিষ্ঠান ২০১৯ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে এই প্রযুক্তি ব্যবহার করেছে। এই চিত্র থেকে স্পষ্ট, ডিজিটাল বিভাজন দেশের ক্ষুদ্র ও মাঝারি আকারের, ই-কমার্স এবং নারী উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠানগুলোতে সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলছে।
সম্প্রতি, বাংলাদেশ ব্যাংক-এর একটি সমীক্ষায় দেখা গেছে যে দেশের ৭০ শতাংশ এর বেশি ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প এখনও প্রচলিত পদ্ধতিতে তাদের ব্যবসা পরিচালনা করে। এই হতাশার চিত্র সত্ত্বেও, ডিজিটাল রূপান্তরের বিশাল সম্ভাবনা বিদ্যমান। যদি আমরা এই চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলা করতে পারি, তাহলে বাংলাদেশের জিডিপি আগামী দশ বছরে ১০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গবেষণা সংস্থা পূর্বাভাস দিয়েছে।
পেছানোর মূল কারণ
১. উচ্চ ব্যয় এবং অপর্যাপ্ত অবকাঠামো: ডিজিটাল ডিভাইস ও সফটওয়্যারের উচ্চ মূল্য এবং অপ্রীতিকর কর কাঠামো ছোট উদ্যোক্তাদের জন্য একটি বড় বাধা। এর পাশাপাশি, দুর্বল ইন্টারনেট অবকাঠামো, ঘন ঘন সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়া এবং মোবাইল ডেটার উচ্চ মূল্য ডিজিটাল কার্যক্রমকে বাধাগ্রস্ত করে। একটি গবেষণায় দেখা গেছে, বাংলাদেশের ৮০ শতাংশ গ্রামে এখনও নির্ভরযোগ্য উচ্চ-গতির ইন্টারনেট পরিষেবা নেই, যা গ্রামীণ অর্থনীতিকে ডিজিটাল রূপান্তর থেকে দূরে রাখছে।
২. জ্ঞানের অভাব ও দক্ষতার সংকট: অনেক ব্যবসায়ী, বিশেষ করে পুরোনো বা গ্রামীণ প্রতিষ্ঠানগুলোর মালিকদের মধ্যে ডিজিটাল প্রযুক্তির গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতার অভাব রয়েছে। একই সঙ্গে, ডিজিটাল দক্ষতা সম্পন্ন কর্মীর সংকট একটি বড় সমস্যা। দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় এখনও ডিজিটাল দক্ষতা বৃদ্ধির ওপর পর্যাপ্ত জোর দেয়া হয় না, ফলে শিল্প ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে এক বিশাল ব্যবধান রয়ে গেছে।
৩. নিয়ন্ত্রণের দুর্বলতা ও সিন্ডিকেটের প্রভাব: বাংলাদেশের টেলিযোগাযোগ খাত কিছু প্রভাবশালী সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রণে। এই সিন্ডিকেটগুলো কৃত্রিমভাবে ইন্টারনেট এবং ডেটা সেবার মূল্য বেশি রাখে, যা সাধারণ ব্যবসায়ীদের জন্য উচ্চ গতির ইন্টারনেটকে ব্যয়বহুল করে তোলে। সরকারি নীতি প্রণয়ন এবং তার প্রয়োগের মধ্যে থাকা দুর্বলতাও এই সমস্যাকে আরও জটিল করে।
৪. অর্থায়নের অভাব এবং ঋণ জটিলতা: ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের জন্য ডিজিটাল রূপান্তরের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ সংগ্রহ করা একটি বড় চ্যালেঞ্জ। ব্যাংক এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো সাধারণত প্রচলিত ব্যবসার জন্য ঋণ দিতে আগ্রহী হয়, কিন্তু নতুন প্রযুক্তিভিত্তিক উদ্যোগের জন্য ঝুঁকি নিতে চায় না। এই কারণে, অনেক সম্ভাবনাময় ডিজিটাল উদ্যোগ মাঝপথেই থেমে যায়।
ডিজিটাল বিভাজনের আর্থিক ক্ষতি
ডিজিটাল রূপান্তরে পিছিয়ে থাকার কারণে দেশের অর্থনীতিতে যে সুনির্দিষ্ট আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে, তার কয়েকটি উদাহরণ নিচে দেয়া হলো-
অতিরিক্ত পরিচালন ব্যয়: বাংলাদেশের ব্যাংকগুলো কেবল নগদ টাকা ব্যবস্থাপনার জন্য প্রতি বছর প্রায় ২৬০ কোটি টাকা খরচ করে, যা ডিজিটাল লেনদেন চালু হলে অনেকাংশে কমানো যেত। এই খরচ শেষ পর্যন্ত গ্রাহক বা ব্যাংকগুলোর লাভ থেকে কেটে নেয়া হয়।
উৎপাদনশীলতার ক্ষতি: প্রচলিত পদ্ধতিতে কাজ করার কারণে কর্মীদের দক্ষতা ও সময় নষ্ট হয়। গবেষণায় দেখা গেছে, ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার না করায় বাংলাদেশের উৎপাদনশীলতা তার সম্ভাবনার চেয়ে ১৫-২০ শতাংশ কম। এর ফলে পণ্য উৎপাদনে সময় ও খরচ দুটোই বেশি লাগে, যা বৈশ্বিক বাজারে আমাদের প্রতিযোগিতামূলকতাকে দুর্বল করে।
সুযোগের ব্যয়: যদি ক্ষুদ্র ও মাঝারি প্রতিষ্ঠানগুলো ডিজিটাল রূপান্তর সম্পূর্ণ করতে পারত, তাহলে তারা নতুন বাজার ধরতে পারত, যা তাদের আয় বাড়াত। এই যে সম্ভাব্য আয় তারা অর্জন করতে পারছে না, এটিই হলো সবচেয়ে বড় আর্থিক ক্ষতি। ছোট ব্যবসাগুলো ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে যে পরিমাণ অতিরিক্ত মুনাফা অর্জন করতে পারত, তা না হওয়ায় দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।
অর্থনীতিতে অবদান এবং এর সম্ভাবনা
ডিজিটাল রূপান্তর শুধু ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ডের পদ্ধতিই পরিবর্তন করবে না, বরং দেশের অর্থনীতিতে নতুন গতি আনবে।
উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি: ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার করে উৎপাদন প্রক্রিয়াকে স্বয়ংক্রিয় করা গেলে উৎপাদনশীলতা অনেক বেড়ে যাবে, যা আমাদের পণ্যকে বৈশ্বিক বাজারে আরও প্রতিযোগিতামূলক করে তুলবে।
রপ্তানি বৃদ্ধি: বাংলাদেশের আইটি পরিষেবা রপ্তানি উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ছে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে এই খাতের রপ্তানি আয় ২ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। ডিজিটাল রূপান্তর এই খাতকে আরও বিকশিত করতে সাহায্য করবে।
নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি: ই-কমার্স, সফটওয়্যার উন্নয়ন, ডিজিটাল মার্কেটিং এবং ফ্রিল্যান্সিং এর মতো খাতে নতুন নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে, যা বেকারত্ব কমাতে সাহায্য করবে।

উত্তরণের উপায় এবং প্রস্তাবনা: সরকারের ভূমিকা
এই সমস্যাগুলো কাটিয়ে ওঠতে কিছু সুনির্দিষ্ট ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরি। স্মার্ট বাংলাদেশ রূপকল্প বাস্তবায়নে সরকার ইতোমধ্যে বেশকিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
১. নীতি ও আর্থিক প্রণোদনা
কর সুবিধা: ডিজিটাল ডিভাইস, সফটওয়্যার এবং ক্লাউড সার্ভিসের ওপর আমদানি শুল্ক ও কর কমানো উচিত।
সহজ শর্তে ঋণ: এসএমই-গুলোর জন্য ডিজিটাল রূপান্তরের খরচ মেটাতে সহজ শর্তে ঋণ, ভর্তুকি এবং অনুদানের ব্যবস্থা করা যেতে পারে।
২. অবকাঠামোর উন্নয়ন
প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি: টেলিযোগাযোগ খাতে সিন্ডিকেটের প্রভাব কমানোর জন্য নতুন অপারেটরদের প্রবেশকে উৎসাহিত করা এবং বাজারে সুস্থ প্রতিযোগিতা নিশ্চিত করা জরুরি। বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন রেগুলেটরি কমিশনকে এই ক্ষেত্রে কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে।
সর্বজনীন ইন্টারনেট অ্যাক্সেস: দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে উচ্চ গতির ইন্টারনেট পৌঁছানোর জন্য সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বের মাধ্যমে ফাইবার অপটিক নেটওয়ার্কের দ্রুত সম্প্রসারণ প্রয়োজন।
৩. দক্ষতা বৃদ্ধি এবং সচেতনতা
প্রশিক্ষণ কর্মসূচি: সরকারি এবং বেসরকারি উদ্যোগে ব্যবসায়ীদের জন্য ডিজিটাল সাক্ষরতা ও দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য প্রশিক্ষণ কর্মসূচি চালু করা যেতে পারে। বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক অথরিটি-এর অধীনে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন করা যেতে পারে।
ডিজিটাল অ্যাডাপ্টেশন ফান্ড: একটি বিশেষ তহবিল গঠন করা যেতে পারে যা ছোট ও মাঝারি শিল্পগুলোকে ডিজিটাল রূপান্তরে সহায়তা করবে।
ই-কমার্স: সম্ভাবনার নতুন দিগন্ত
দেশের ই-কমার্স খাত ডিজিটাল রূপান্তরের অন্যতম উজ্জ্বল উদাহরণ। বর্তমানে, বাংলাদেশের ই-কমার্স বাজার প্রায় ২ বিলিয়ন ডলারের বেশি এবং প্রতি বছর এটি ২০-২৫ শতাংশ হারে বাড়ছে। ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তারা, বিশেষ করে নারীরা, অনলাইনে নিজেদের পণ্য বিক্রি করে স্বাবলম্বী হচ্ছেন। এটি কেবল তাদের আয়ের উৎস বাড়াচ্ছে না, বরং গ্রামীণ অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে। দারাজ এবং চালডাল-এর মতো বড় ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মগুলো দেশের অর্থনীতিতে নতুন গতি এনেছে।
সফলতার গল্প: যেমন, একজন নারী উদ্যোক্তা যিনি নিজের হাতে তৈরি হস্তশিল্প পণ্যগুলো একটি ফেসবুক পেজের মাধ্যমে বিক্রি শুরু করেন, তিনি এখন দেশের গণ্ডি ছাড়িয়ে আন্তর্জাতিক বাজারেও তার পণ্য রপ্তানি করছেন। এটি প্রমাণ করে, সঠিক প্ল্যাটফর্ম এবং সহায়তার মাধ্যমে যেকোনও ছোট ব্যবসাও বিশাল সাফল্য অর্জন করতে পারে।
ভবিষ্যতের প্রযুক্তি এবং স্মার্ট বাংলাদেশের পথচলা
ডিজিটাল রূপান্তরের পরবর্তী ধাপ হবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) এবং ব্লকচেইন-এর মতো উদীয়মান প্রযুক্তিকে কাজে লাগানো-
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা: ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে গ্রাহক পরিষেবা উন্নত করা, সরবরাহ শৃঙ্খলকে আরও দক্ষ করা এবং উৎপাদন প্রক্রিয়াকে স্বয়ংক্রিয় করা সম্ভব।
ব্লকচেইন: ব্লকচেইন প্রযুক্তি ব্যবহার করে সরবরাহ শৃঙ্খলকে আরও স্বচ্ছ এবং সুরক্ষিত করা যায়। এটি পণ্যের উৎস, পরিবহন এবং বিক্রয় প্রক্রিয়া ট্র্যাক করতে সাহায্য করে।
ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ
ডিজিটাল রূপান্তর যত বাড়বে, সাইবার আক্রমণের ঝুঁকিও তত বাড়বে। তাই, সাইবার নিরাপত্তা জোরদার করা অপরিহার্য। একটি শক্তিশালী জাতীয় সাইবার নিরাপত্তা কৌশল প্রণয়ন এবং তার প্রয়োগ নিশ্চিত করা জরুরি। এ ছাড়াও, প্রযুক্তিগত অগ্রগতির কারণে শহর এবং গ্রামের মধ্যে ডিজিটাল বৈষম্য আরও বাড়তে পারে। এটি রোধ করার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে বিশেষ উদ্যোগ প্রয়োজন।
ভবিষ্যতের পথে এক দৃঢ় পদক্ষেপ
ডিজিটাল রূপান্তর একটি দীর্ঘমেয়াদী প্রক্রিয়া, কিন্তু এর সুফল অপরিহার্য। সরকার, ব্যবসায়ী এবং সাধারণ জনগণের সম্মিলিত প্রচেষ্টা ছাড়া এই স্বপ্ন বাস্তবায়ন সম্ভব নয়। আমাদের চ্যালেঞ্জগুলো চিহ্নিত করে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে পারলে আমরা কেবল একটি শক্তিশালী অর্থনীতিই তৈরি করব না, বরং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি উন্নত ও ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তুলব। ডিজিটাল রুপান্তর থেকে স্মার্ট বাংলাদেশে উত্তরণের এই যাত্রায়, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো সবার অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা। প্রযুক্তিকে শুধুমাত্র একটি সরঞ্জাম হিসেবে না দেখে, বরং অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নের একটি চালিকাশক্তি হিসেবে বিবেচনা করতে হবে।
লেখক: মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক মৃধা (সোহেল মৃধা)- প্রতিষ্ঠাতা কিনলে ডটকম, প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ই-ক্যাব